নয়াদিল্লি: রবিবার নরেন্দ্র মোদী তাঁর ট্যুইটার হ্যান্ডেলে নামের আগে লিখে দেন ‘চৌকিদার’। তারপরই অমিত শাহ, রাজনাথ সিং থেকে শুরু করে দেশের সব কর্মী সমর্থকেরাই নামের আগে বসিয়ে দেন ‘চৌকিদার।’ আসলে নরেন্দ্র মোদী ‘ম্যায় ভি চৌকিদার’ বলে যে ভোট প্রচার শুরু করেছেন, তারই অংশ এটা। এবার সেই ক্যাম্পেনের জবাবে হার্দিক পটেল লিখলেন ‘বেরোজগার।’

দীর্ঘদিন ধরেই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে বেকারত্বের অভিযোগ তুলে আসছেন হার্দিক। বারবার এই ইস্যুতে মোদীকে আক্রমণ করেছেন তিনি। তাই একদিকে যখন সব বিরোধীরা মোদীর এই ‘চৌকিদার’ শব্দটিকে নিয়ে আক্রমণ করতে ব্যস্ত, তখন হার্দিক পটেল আনতে চাইলেন ট্যুইটারের নতুন ট্রেন্ড, যাতে চোখে আঙুল দিয়ে সবাইকে দেখিয়ে দেওয়া যায় যে বেকারত্বই ছেয়ে আছে দেশে।

এদিকে, রাহুল গান্ধী ট্যুইট করে বলেন, ‘‌আপনি যতই চেষ্টা করুন মিস্টার মোদী, কিন্তু সত্যকে এভাবে চাপা দেওয়া যায় না। গোটা দেশ বলছে চৌকিদার চোর হ্যায়। আপনি সুষমাজিকেও টুইটারের নাম বদল করে চৌকিদার করতে বলুন। এখন দেখতে খুব বাজে লাগছে।’ ‘‌ম্যায় ভি চৌকিদার’‌ অভিযানকে কটাক্ষ করেছেন ইউপিএ সরকারের অর্থমন্ত্রী তথা শীর্ষ কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘‌এখন আমিও চৌকিদার হয়ে গিয়েছি। কারণ আমি যে চৌকিদারকে নিযুক্ত করেছিলাম তিনি নিখোঁজ। খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি তিনি আচ্ছে দিনের সন্ধানে গিয়েছেন।’‌

কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বলেন, ‘‌চৌকিদারের অবস্থা এরকম হলে দেশকে কে রক্ষা করবে?’‌ সমাজবাদী পার্টির প্রধান তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব বলেন, ‘‌চৌকিদারি ঘিরে বিতর্ক এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে তরুণরা আর কেউ এই পেশায় আসতে চাইছে না।’‌