ওয়েলিংটন: তাঁকে নিয়ে বাড়াবাড়ি রকমের বিতর্ক থাকতে পারে৷ মাঠের বাইরে তাঁর আচরণ নিয়ে ভ্রু কুচকাতে পারেন অনেকে৷ কিন্তু বাইশ গজে ব্যাট হাতে নামলে বোলারদের শাসন করার ক্ষমতা রাখেন পান্ডিয়া৷ ওয়েলিংটনে ভারতের ব্যাটিং ধসের দিনে আরও একবার পরীক্ষায় বসলেন হার্দিক৷ ব্যাটেই সব বিতর্কের জবাব দিলেন ভারতীয় অল-রাউন্ডার৷ ২২ বলে ৪৫ রানের ঝকঝকে ক্যামিও ইনিংস৷ হার্দিকের ৫ ছক্কা, ২ চারের ক্যামিও ঝড়ে আড়াইশোর গণ্ডি পার ভারতের৷ পঞ্চম ওয়ান ডে ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৩ রানের টার্গেট দিল মেন ইন ব্লু৷ ম্যাচে এদিন ছক্কার হ্যাটট্রিক করেন পান্ডিয়া৷

ওয়েলিংটনে হার্দিক ‘বোমা’ আছড়ে পড়ার আগে শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ভারতীয় ইনিংসের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন আরেক ডানহাতি আম্বতি রায়াডু৷ মেগা ইনিংস খেললেও দশ রানের জন্য একদিন সেঞ্চুরি মাঠে ফেলে এলেন৷ ১১৩ বলে ৯০ রানের ইনিংস খেলে দলকে টানেন রায়াডু৷ ইনিংস সাজানো ৮টি চার ও ৪টি ছয় দিয়ে৷ চার নম্বরে কেন তিনি ওয়ান ডে’তে মেন ইন ব্লু’র অন্যতম সেরা সম্পদ ফের বুঝিয়ে দিলেন ডানহাতি৷

পঞ্চম উইকেটে তরুণ অল-রাউন্ডার বিজয় শংকরকে সঙ্গী করে ৯৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতীয় ব্যাটিংকে এগিয়ে নিয়ে যায় অাম্বাতি৷ অল-রাউন্ডার বিজয়ও এদিন ধৈর্য্যের পরীক্ষায় লেটার মার্কস নিয়ে পাশ করলেন৷ ওপেনিং থেকে ভারতের মিডল অর্ডারে যখন ব্যাটিং ধস তখন উইকেট ধরে রেখে নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং বিজয়ের৷ ৬৪ বলে ৪৫ রানে ধৈর্য্যশীল ইনিংস খেলে অধিনায়কের ভরসার মান রাখেন তরুণ অল-রাউন্ডার৷ সেই সঙ্গে কঠিন দিনে লড়াকু ইনিংসের সুবাদে কোহলির বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার দাবি তুলে দিলেন তরুণ বিজয়৷ যদিও বাইশ গজে রায়াডুর সঙ্গে  ভুল বোঝাবুঝির ফলে এদিন ৪৫ রানে রানআউট হয়ে বিজয়কে সাজঘরে ফিরতে হয়৷

নির্ধারিত পঞ্চাশ ওভারের এক বল আগে ২৫২ রানে ইনিংস গুটিয়ে যায় ভারতের৷ লড়াকু রানের পুঁজি নিয়ে শামি-ভুবিরা এবার ভারতকে জয় এনে দিতে পারে কিনা সেটাই এখন দেখার৷ তরুণ শুভমন এদিন ৭ রানে আউট হন৷ নিউজিল্যান্ডের মাটিতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন, কিউয়িদের ডেরায় অভিষেক সিরিজে অবশ্য নজর কাড়তে পারলেন না ভারতের ভবিষ্যতের তারকা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।