মুম্বই: সারা পৃথিবীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এদেশেও দিনকে দিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ২১ দিনের লকডাউন পিরিয়ডে গৃহবন্দী গোটা দেশ। কিন্তু চরম সংকটের মধ্যেও কঠিন সময়ে মানবজাতিকে রক্ষার দায়িত্ব যারা সর্বাগ্রে নিজেদের কাঁধে নিয়েছেন সেই হয়েছিল চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মী বৃন্দ, পুলিশকর্মীদের ইতিমধ্যেই সম্মান জানিয়েছে দেশের মানুষ। ২২ মার্চ জনতা কার্ফুর দিন হাততালি দিয়ে কিংবা শাঁখ বাজিয়ে সম্মান জানানো হয়েছিল সেইসব রিয়েল লাইফ হিরোদের।

এবার লকডাউন পিরিয়ডে বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ের রাস্তায় পুলিশকর্মীদের কাজকে কুর্নিশ জানালেন জাতীয় দলের অল-রাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। বৃহস্পতিবার মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে মুম্বই পুলিশের একটি ভিডিও পোস্ট করেন হার্দিক। ক্যাপশন হিসেবে জাতীয় দলের অল-রাউন্ডার লেখেন, ‘মুম্বই পুলিশকে অনেক ভালোবাসা এবং শুভ কামনা এবং অন্যান্য আধিকারিকদের যারা দেশজুড়ে আমাদের সুরক্ষার কাজে নিযুক্ত।’

উল্লেখ্য সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় শহরের মানুষকে গৃহবন্দি থাকার বার্তা দিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করে মুম্বই পুলিশ। মুম্বই পুলিশ ক্যাপশন হিসেবে সেই ভিডিওতে লেখে, ‘একটানা লকডাউনে বাড়িতে থেকে ক্লান্ত? ভাবুন তো আমরা বাড়ি থাকলে কী করতাম।’ এদিন সেই ভিডিও পোস্ট করে মুম্বই পুলিশকে অভিবাদন জানালেন হার্দিক। বিশ্ব মহামারী নোভেল করোনা ভাইরাসের জেরে অন্যান্য খেলাধূলার সঙ্গে বাইশ গজেও আপাতত তালা। গত ২৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও লকডাউন গেরোয় আপাতত বিশ বাঁও জলে আইপিএলের ভবিষ্যৎ। তাই আপাতত বাকি সকলের মতো গৃহবন্দী হার্দিকও।

বিশ্ব মহামারী করোনা প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর আপদকালীন ফান্ডে সামর্থ্য অনুযায়ী দান করছেন অ্যাথলিটরা। সচিন তেন্ডুলকর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিং, রোহিত শর্মা, আজিঙ্কা রাহানে কিংবা চেতেশ্বর পূজারা প্রত্যেকেই সামর্থ্য অনুযায়ী দান করেছেন সেই তহবিলে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও ঘরোয়া ক্রিকেটে সম্মিলিত সেঞ্চুরির সংখ্যার সঙ্গে মিলিয়ে আপদকালীন ফান্ডে ৫৯ লক্ষ টাকা দান করেছেন সুনীল গাভাসকর।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ