নয়াদিল্লি: বিশ্বকাপের বাকি মাত্র ১১ দিন৷ তার আগে ধোনিকে নিয়ে বিশেষ মন্তব্য ভারতের দু’বারের বিশ্বকাপজয়ী বোলার হরভজন সিংয়ের৷

ধোনির নেতৃত্বেই ভারতের হয়ে ২০০৭ ও ২০১১ সালে দুই ভিন্ন ফর্ম্যাটে বিশ্বকাপ জিতেছেন ভাজ্জি৷ সম্প্রতি আবার ধোনির কাপ্তানিতেই চেন্নাইকে দ্বাদশ আইপিএলের ফাইনালে তুলেছিলেন হরভজন৷ সেই মাহিকে এবার উনিশের বিশ্বকাপে অন্য ভূমিকায় দেখতে চান বলে জানিয়ে দিলেন ভাজ্জি৷

আরও পড়ুন- World Cup 2019: ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে এবার ভেঙে যেতে পারে এই দুই রেকর্ড

হরভজন জানিয়েছেন, ‘বিশ্বকাপে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করুক ধোনি৷ মাহিকে এই মুহূর্তে টিম ম্যানেজমেন্টের এই স্বাধীনতা দেওয়া উচিত৷’ শুধু ধোনিই নয়, হার্দিক পান্ডিয়ার মতো বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানকেও শুরু থেকে আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখতে চান ভারতের প্রাক্তন অফ স্পিনার৷

আরও পড়ুন- World Cup 2019: এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন যাঁরা

প্রসঙ্গত চলতি বছরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অজিদের ওয়ান ডে সিরিজে হারিয়ে এসেছিল কোহলির ভারতীয় দল৷ তিন ম্যাচের লড়াইয়ে ২-১ সিরিজ জিতেছিল কোহলিরা৷ সেই সিরিজে ব্যাট হাতে দুই ম্যাচেই ত্রাতার ভূমিকায় ছিলেন ধোনি৷

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৯৯ রান তাড়া করতে নেমে অ্যাঙ্কর ফিনিশারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে ৫৫ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন মাহি৷ সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ২৩১ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে রোহিত-ধাওয়ানরা ব্যার্থ হলে ৮৭ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ধোনি৷ এবার ইংল্যান্ডের মাটিতে বিশ্বকাপেও ব্যাটে হাতে ধোনির এই ক্যারিশমাই দেখতে চান তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ হরভজন৷

আরও পড়ুন- World Cup 2019: কোহলির দলে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলবে যাঁরা

ধোনি-হার্দিকের পাশপাশি লোকেশ রাহুলকে নিয়েও দামি মন্তব্য করলেন ভাজ্জি৷ চেন্নাইয়ের জার্সিতে আইপিএল প্লে-অফে ফিল্ডিংয়ের সময় কাঁধে গুরুতর চোট পেয়ে বিশ্বকাপে অনিশ্চিত কেদার যাদব৷ একান্তই বিশ্বকাপ খেলতে না পারলে নতুন করে ছয় নম্বর খুঁজতে হবে কোহলিকে৷

সেক্ষেত্রে দলের ভারসাম্য ঠিক রাখতে চার নম্বরে রাহুলকে পরীক্ষা করে দেখার জন্য কোহলিকে পরমর্শ হরভজনের৷ ব্যাট হাতে দ্বাদশ আইপিএলটা দারুণ গিয়েছে রাহুলের৷ সেকারণে অল-রাউন্ডার বিজয় শংকরের পরিবর্তে চার নম্বরে লোকেশ রাহুলকে দেখতে চান বলে মত ভাজ্জির৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।