নয়াদিল্লি: বল বিকৃতি কাণ্ডে আইসিসি’র সিদ্ধান্তের সমালোচনা ভারতীয় স্পিনার হরভজন সিং৷

শনিবার কেপটাউন টেস্টের তৃতীয় দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিংয়ের সময় অস্ট্রেলিয়া দলের পরিকল্পিতভাবে বল বিকৃতি ঘটনা প্রকাশ্য আসে৷ এরপরই বিশ্বজুড়ে সেই ঘটনা নিয়ে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়৷ অভিযুক্ত তরুণ ক্রিকেটার ক্যামরন ব্যানক্রফটকে দিয়ে বল বিকৃতি করনোয়, মিডিয়া থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের যবাতীয় ক্ষোভ গিয়ে পড়ে অজি অধিনায়ক স্মিথের উপর৷ অপরাধের শাস্তি হিসেবে স্মিথকে এক টেস্ট নির্বাসনে পাঠায় আইসিসি৷ সঙ্গে তাঁর একশো শতাংশ ম্যাচ ফিও কেটে নেওয়া হয়৷ অন্য অভিযুক্ত ব্যানক্রফটকে শুধুই ম্যাচ ফির ৭৫ শতাংশ কেটে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে৷ ক্রিকেট আইন ভেঙ্গে গুরুতর অপরাধে আইসিসি’র দেওয়া লঘু শাস্তি মেনে নিতে পারেননি হরভজন৷

আরও পড়ুন- সরকারি চাপেই নেতৃত্ব ছাড়তে হয়েছে স্মিথকে

নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে টুইটে ভাজ্জি লেখেন, ‘আইসিসি’র সিদ্ধান্তে আমি অবাক, গুরুতর অপরাধ করলেও ব্যানক্রাফটের ম্যাচ ফি কেটে নিয়েই ছেড়ে দেওয়া হল৷’ ক্রিকেটমহলে মতে এই ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিলে ভবিষ্যতে এই ধরনের অপরাধ করার আগে ক্রিকেটাররা নিশ্চয়ই দু’বার ভাবতেন৷

টুইটে হরভজন আরও জানান, ‘আইসিসি’র দ্বিচারিতা দেখে আমি অবাক৷’ ঘুড়িয়ে আইসিসিকে কাঠগড়ার দাঁড় করিয়ে হরভজন তোপ দেগেছেন৷ ভাজ্জি বুঝিয়ে জিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ানদের জন্য একরকম শাস্তি ও অন্যান্য দেশের ক্রিকেটারদের জন্য অন্যরকম শাস্তি,এই বিষয়টা একেবারেই মেনে নিতে পারেননি তিনি৷

আরও পড়ুন- আজীবন নির্বাসিত হতে পারেন স্মিথ-ওয়ার্নার

উদাহরণ টেনে টুইটে তিনি লেখেন ২০০১ প্রোটিয়া সফরে প্রমাণ না থাকলেও অতিরিক্ত আবেদনের জন্য ভারতীয় ছয় ক্রিকেটারকে নির্বাসিত করেছিল আইসিসি৷ আর এবার প্রমাণ থাকলেও ব্যান না করেই ছেড়ে দেওয়া হল ব্যানক্রফটকে৷ ২০০৮ সালে সিডনির মাঙ্কি গেট কাণ্ডের কথা মনে করিয়ে ভাজ্জি আরও লিখেছেন, প্রমাণ না থাকলেও তাঁকে তিন ম্যাচ নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল৷ আর এবার সম্পূর্ণ উলটো চিত্র৷ আইসিসি’র এই সিদ্ধান্তেই অবাক হরভজন৷