নয়াদিল্লি: ভারতীয় কূটনীতিকদের হয়রানি কমাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কর্তারা কথা বললেন পাক বিদেশমন্ত্রকের সঙ্গে৷

সম্পর্কের উষ্ণতা তালানিতে৷ পাক সেনার মদতে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর জঙ্গি আক্রমণের খবর প্রায় রোজই হচ্ছে৷ এই পরিস্থিতে এবার পাকিস্তানে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতরা চরম হয়রানির শিকার৷ দূতাবাসের কোনও আধিকারিককে গ্যাসের কানেকশন দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে আসা অতিথিদের চূড়ান্ত হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকী বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ আধিকারিকের আবাসনের ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ৷

সেদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতরা নয়াদিল্লিকে ইতিমধ্যেই বিষয়টি জানিয়েছে৷ পদক্ষেপ করেছে নয়াদিল্লি৷ ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে ইসলামাবাদের সঙ্গে এবিষয়ে কথা বলা হয়েছে। এখন দেখার সেই কতায় কোনও রাজ হয় কিনা৷

যদিও এবারই প্রথম নয়। এর আগে মার্চ মাসেই একই ধরনের হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল পাকিস্তানে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের কর্মী এবং আধিকারিকদের। ভারত এবিষয়ে সরব হলে পালটা ভারতের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ তোলে ইসলামাবাদ৷

চলতি বছরের জুনে, ভারতীয় হাই কমিশনার অজয় বিসারিয়া গুরুদ্বারে জন্মদিন পালন করার জন্য আগাম অনুমতি চেয়ে রেখেছিলেন পাক প্রশাসনের কাছে। সঙ্গে ছিল জরুরি সব কাগজপত্রও। তবুও তাঁকে ও তাঁর পরিবারের অন্যান্যদের গাড়ি থেকে নামতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ৷

অন্যদিকে এবছরের মার্চে ভারতে নিযুক্ত পাক রাষ্ট্রদূত সোহেল মাহমুদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগে তোলে ইসলামাবাদ৷ তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সেদেশে৷ ফলে অভিযোগ, পালটা অভিযোগেই আপাতত সরগরম ভারত-পাক সম্পর্ক৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ