কলকাতা: মার্চ মাসে নিয়েছিলেন করোনার প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন। আর এপ্রিলের শেষে দুই পরিচালক বন্ধু প্রভাত রায় ও সুজিত গুহের সঙ্গে করোনার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছিলেন পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী (Haranath Chakraborty)। কিন্তু টিকা নিয়েও করোনা থেকে রেহাই পেলেন না পরিচালক। রবিবার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন হরনাথ চক্রবর্তী। মঙ্গলবার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। তবে এখন তিনি স্থিতিশীল অবস্থায় আছেন বলেই জানা গিয়েছে। শরীর দুর্বল রয়েছে এখন। পরিচালক জানিয়েছেন, তার করোনা উপসর্গ বলতে প্রবল জ্বর এবং অসহ্য মাথা যন্ত্রণা। গন্ধহীন হলেও, খাবারে স্বাদ পাচ্ছিলেন ঠিকই। তবে এখনও অবধি পরিচালকের শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক আছে। শ্বাসকষ্ট নেই বলেই খবর।

প্রথম ডোজ নেওয়ার পরে পরিচালক জানিয়েছিলেন, নতুন একটি ছবি বানানোর কথা ভাবছেন তিনি। এর বাইরে আরও একটি কমেডি ছবি আসতে চলেছে হরনাথ চক্রবর্তীর। কমেডি ঘরানার এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে রঞ্জিত মল্লিককে। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন পদ্মনাভ দাশগুপ্ত। প্রযোজনায় রয়েছেন সুরিন্দর ফিল্মস (Surinder Films)। হরনাথ চক্রবর্তী পরিচালক হিসাবে যাত্রা শুরু করেন পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর সহকরি পরিচালক হিসাবে। নিজের পরিচালনার প্রথম ছবি ‘মঙ্গলদীপ‘। এর পর একে একে ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ‘, ‘নবাব নন্দিনী‘, ‘বাজিমাত‘ প্রমুখ একাধিক ছবির পরিচালনা করেছেন তিনি। তবে ২০০২ সালে তার পরিচালিত ছবি ‘সাথী‘ বছরের সেরা ব্যবসায়িক ছবি গুলির মধ্যে ছিল।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ইন্ডাস্ট্রির একাধিক তারকা। সম্প্রতি করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায়। এছাড়া টলিউডের জিৎ, শুভশ্রী, ঐন্দ্রিলা সহ একাধিক ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অভিনেতা অভিনেত্রী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও জিৎ, শুভশ্রী এবং ঐন্দ্রিলা তিনজনেই এখন করোনা মুক্ত। এছাড়া টেলিভিশন ধারাবাহিকের অভিনেতা অভিনেত্রী যেমন দিতিপ্রিয়া রায়, শ্রুতি দাস, অনুসুয়া মজুমদার, রণিতা দাস, চান্দ্রেয়ী ঘোষ, জয়শ্রী, ভরত কল, সুমনা দাস প্রমুখরা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকেই সুস্থ হয়ে পুনরায় শুটিংয়ে ফিরেছেন। আবার অনেকে রয়েছেন নিভৃতবাসে। তবে পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী ভ্যাকসিনের জুটি ডোজ নেওয়ার পর করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংবাদে অনেকেই ভীত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.