আজ রঙের উৎসব৷ আনন্দের জোয়ারে গা ভাসাবেন ছোট থেকে বড় সকলেই৷ আর দোলের দিন একটু রঙ না খেললে চলে৷ আনন্দে আত্মহারা হয়ে আবীর আর রঙ খেলে তো ফেললেন কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় রঙ তুলতে গিয়ে৷ অনেক ঘষে ঘষেও রঙ আর যায় না৷ দু-তিন দিন সেই রঙ লেগেই থেকে শরীরে৷ তাই খেলতে যাওয়ার আগে কিছু প্রিকশন নিয়ে নিন৷ এতে ত্বক ও চুল ক্ষতিকর রঙের হাত থেকে রক্ষা পাবে৷ আর যদি সেই সময়টুকুও না পান তাহলেও কুছ পরোয়া নেহি৷ এমন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি আছে যা ত্বক আর চুলের ক্ষতি না করেই রঙ তুলে দেবে৷ তাই চিন্তা না করে জমিয়ে খেলুন রঙ৷

কোনও কেমিক্যাল নয়, ঘরোয়া পদ্ধতিতে তুলুন রঙ৷ জেনে নিন সেই টিপসগুলি:

  • রঙ তুলতে হলে গরম জল ব্যবহার করা চলবে না৷ ঠাণ্ডা জল ব্যবহার করুন৷ ঠাণ্ডা জল রঙকে ত্বকের ভিতরে প্রবেশ হওয়া থেকে আটকায়৷
  • সুন্দর স্কিনের জন্য মধু ও লেবুর মিশ্রণ খুব উপকারী৷ এই মিশ্রণ রঙ তুলতেও সাহায্য করে৷ সমপরিমাণে মধু ও লেবুর রস নিন৷ মিশ্রণ তৈরি করুন৷ এরপর হালকা হাতে শরীরের রঙ তুলুন৷
  • রঙ খেলে আসার পর সঙ্গে সঙ্গে শ্যাম্পু না করাই ভালো৷ তার চেয়ে ডিমের কুসুমের অংশটি নিয়ে স্কাল্পে লাগান৷ আধ ঘণ্টা পর ধুয়ে পরিস্কার করে নিন৷ এছাড়া চুলের রঙ তুলতে সরষের তেলও ব্যবহার করতে পারেন৷
  • চুলের রঙ তুলতে আরও এক উপকারী উপদান হল নারকেল তেল৷ রঙ খেলতে যাওয়ার আগে এটি মাথায় মেখে বেরতে পারেন৷ তাহলে পরে রঙ তুলতে বেশি কসরত করতে হবে না৷
  • সরষের তেল শরীরেও ব্যবহার করা যায়৷ এটি স্কিন ময়শ্চারাইজারের কাজ করে৷
  • অনেক সময় রঙ তুলতে কিছু কিছু ঘরোয়া টোটকা কাজে আসে না৷ রঙ সেই গায়ে লেগেই থাকে৷ সেই ‘জিদ্দি দাগ’ তুলতে মধু, পেঁপে আর মুলতানি মাটির মিশ্রণ ব্যবহার করুন৷ এতে রঙ পুরোপুরি না উঠলেও হালকা হয়ে যায়৷ বারে বারে লাগালে আস্তে আস্তে রঙ উঠে যাবে৷
  • রঙ খেলতে যাওয়ার আগে নারকেল তেল শরীরে মেখে নিন৷ নারকেল তেল ভিতরের স্তরের চামড়াকে রক্ষা করে৷