স্টাফ রিপোর্টার, ইংরেজবাজার: তৃণমূলের মায়া ত্যাগ করার পর থেকেই মুকুল রায়কে নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে৷ প্রশ্ন উঠেছিল, মুকুলের সঙ্গে দল ছাড়ছেন কারা? কিন্তু কোনও নেতার নাম এখনও প্রকাশ্যে আসেনি৷ তবে কারও কারও নাম উঠে আসলেও পুরো ব্যাপারটি গুজব বলে এড়িয়ে যান তাঁরা৷ কিন্তু দীপাবলি শেষ হয়ে যাওয়ার প্রায় পাঁচ দিন পরে আজ মালদহ শহরের বেশ কিছু এলাকায় মুকুল রায়ের দীপাবলির শুভেচ্ছা সহ ফ্লেক্স দেখতে পান শহরবাসী৷

বিজেপিতে যেতে হলে দিলীপের কাছে আবেদন করতে হবে মুকুলকে

মালদার ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাণকেন্দ্র ফোয়ারা মোড়, রথবাড়ি, রবীন্দ্র এভেনিউ সহ বেশ কিছু জায়গায় দেখতে পাওয়া যায় মুকুল রায়ের দীপাবলির শুভেচ্ছা সহ ফ্লেক্স৷ এই ফ্লেক্সে দেখতে পাওয়া যায় মুকুল রায়ের ছবি দিয়ে সেই ফ্লেক্স এবং ফ্লেক্সের নীচে লেখা, ‘সৌজন্যে মালদা জেলা নাগরিক মঞ্চ৷’ এদিকে এই ফ্লেক্স বেলা যেতেই চোখে পড়ে জেলার সাধারণ মানুষের৷

ভারতকে দ্রুত সশস্ত্র ড্রোন দিতে তোড়জোড় শুরু ট্রাম্পের

এরপরই চাঞ্চল্য দেখা দেয় জেলা জুড়ে৷ কে বা কারা এই ফ্লেক্স টাঙাল বা কার নেতৃত্বে এই ফ্লেক্সগুলি টাঙানো হল তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে৷ তবে কৌতূহলী রাজনৈতিক মানুষের মনেও দেখা দিয়েছে প্রশ্ন৷ এদিকে একসময় মালদায় মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ একনিষ্ঠ ছায়াসঙ্গী হিসেবে সকলেই জানত দুলাল সরকারকে৷ দুলাল বাবু মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি ও এখন তিনি ইংরেজবাজার পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান৷ তাঁকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি পুরো ব্যাপারটি এড়িয়ে যান৷ বলেন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী৷

কিমের ভয়ঙ্কর ‘Biological Weapons’-এ এবার ঘুম উড়বে প্রতিপক্ষের 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে এখনও দল করি৷ পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েদেন, পুরসভা এলাকায় কোনও ফ্লেক্স টাঙাতে গেলে পুরসভার অনুমতি লাগে৷ সুতরাং অতি শীঘ্রই এই ফ্লেক্সগুলি খুলে ফেলা হবে৷ এদিকে কে বা কারা এই ফ্লেক্স লাগালো তা নিয়ে উৎসাহী পুলিশ মহল৷ এই ব্যাপারে পুলিশের কোনো আধিকারিক মুখ না খুললেও জানা গিয়েছে গোয়েন্দা বিভাগ এই মুহূর্তে তদন্তে নেমে পড়েছে কার দ্বারা এই কাজ হয়েছে তা খুঁজতে৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ