তালিবানি ফতোয়া উপেক্ষা করে স্কুলে যাওয়ার পথে জঙ্গি হামলার শিকার হয়েছিলেন পাক তরুণী মালালা ইউসুফজাই৷ এই ঘটনাটিই তাঁকে বিশ্বের দরবারে পরিচিতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে৷ আজ সেই ‘নারীবাদী’ মালালারই জন্মদিন৷ সদ্য কৈশোর অতিক্রম করা মালালা আজ যুবতীর কোঠায় একধাপ এগিয়ে গেলেন৷ কুঁড়িতে পা রাখলেন মালালা৷

চলতি বছরের শুরুতে কানাডায় একটি সম্মেলনে মালালা বাচ্চাদের উদ্দেশে জানিয়েছিলেন, দেশের নেতৃত্বের আসনে বসতে গেলে বয়সটা কোনও ফ্যক্টরই নয়৷ উদাহরণ হিসেবে তিনি কানাডার প্রাইম মিনিস্টার ট্রুডিউয়ের নামটি তুলে আনেন৷ এর পাশাপাশি তিনি নিজেও বহুবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর আসনে নিজেকে দেখতে চেয়েছিলেন৷ এমনকি নারীবাদীর বিষয়েও একটি সময়ে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন তিনি৷ ছেলে এবং মেয়েদের সমান অধিকার দেওয়ার বিষয়ে প্রচার শুরু করেন মালালা৷ ২০১২সালে যখন তার বয়স মাত্র ১৪বছর৷ ঠিক তখনই সন্ত্রাসবাদী এবং নারীশিক্ষা বন্ধ করার প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন মালালা৷ এরজন্য তাঁকে বন্দুকের নলের সামনেও পড়তে হয়৷ বিশ্বে নারী শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগী হন মালালা৷ শিক্ষা সহ বিভিন্ন বিষয়ে সমাজে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও যাতে সমান অধিকার পায় সেজন্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন মালালা৷

২০১২সালেই নোবেল শান্তি পুরস্কারে সম্মানিত হন পাক তরুণী৷ ২০বছর বয়সী মালালা আজ কোটিপতি৷ তাঁর জীবন নিয়ে লেখা বই বিক্রি করে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে বক্তৃতা থেকে বিপুল অর্থ উপার্জন করেন তিনি৷ নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরই সেই প্রাইজের অর্থ থেকে ৫০হাজার ডলার সে গাজার একটি স্কুলে অনুদান হিসেবে দিয়েছেন৷ কিছুদিন আগেই মালালা ট্যুইটারেও একটি অ্যাকাউন্ট বানিয়েছেন৷