ফাইল ছবি

অরুণাভ রাহারায়, কলকাতা: তিনি জননেত্রী, অগ্নিকন্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছোটবেলা থেকেই লড়াকু। চলার পথ সহজ ছিল না মোটেই। তবু দাঁতে দাঁত চেপে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। আজ তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। ২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম শাসনকে পরাস্ত করে মমতা বাংলাকে নতুন পথ দেখিয়েছেন।

এখন বাংলার দিকে দিকে মমতার জয়ধ্বনি। তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখে তরুণ প্রজন্ম। কেননা তিনি মানুষের নেত্রী। মানুষের অসুবিধায় পাওয়া যায় তাঁকে। যখন দেশ এক সংকটের সম্মুখীন– এই সময়েও জন আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেন একমাত্র মমতা। তাই তো বিদ্রোহ আর প্রতিবাদের আরেক নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রবিবার মমতার ৬৫তম জন্মদিনে শুভেচ্ছার ঢল সোশ্যাল মিডিয়ায়। আবেগে, ভালবাসায় প্রিয় নেত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেন বহু মানুষ। ইতিমধ্যেই ফেসবুক ছেয়ে গিয়েছে মমতার ছবিতে। নানা বয়সের মানুষ শুভেচ্ছায় ঘিরে দিলেন মমতাকে। বাংলা পেয়েছে এমন এক মুখ্যমন্ত্রী যিনি প্রশাসন সামলানোর পাশাপাশি সাংস্কৃতিক জগতেও স্বনামধন্য।

ছবি আঁকতে ভালবাসেন তিনি। কখনও কাজের অবসরে কখনও-বা প্রতিবাদের মঞ্চে তুলি হাতে তুলে নেন মমতা। তাঁর সাহিত্যপ্রীতির কথা সকলেরই জানা। ফি বছর বইমেলায় প্রকাশিত হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক বই। আসন্ন আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলাতেও প্রকাশিত হতে চলেছে তাঁর কয়েকটি বই। তিনি বাংলার একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যাঁর এতগুলি বই প্রকাশিত হয়েছে।

সম্প্রতি এনআরসি ও সিসিএ-র বিরোধিতায় মমতা গড়ে তুলেছেন এক বৃহৎ গণ আন্দোলন। মমতার নেতৃত্বে ফের এক ছাতার নীচে রাশি রাশি মানুষ। কলকাতার রাজপথে তাঁকে ঘিরে জনজোয়ার লক্ষ্য করা গিয়েছে। শিলিগুড়িতেও মমতার মিছিলে যোগ দিয়েছেন বহু মানুষ। এত মানুষের ভালবাসা আর শুভেচ্ছা পাথেয় করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে চলেছেন এক সুন্দর ভারতবর্ষের দিকে।