মহাদেবের আশীর্বাদে সৃষ্টি হয় হনুমানজির। মর্তের মানুষদের রক্ষা করতেই আবির্ভাব হয়েছিল তাঁর। ভগবান বিষ্ণুর আসীর্বাদে রামায়ণে তিনিই হয়ে উঠেছিলেন ‘চিরঞ্জীবী’। পুরাণে বলা আছে যতদিন পৃথিবী থাকবে, ততদিন পৃথিবীকে রক্ষা করতে হনুমানজিও থাকবেন। তাই পৃথিবীতে তাঁর অস্তিত্ব যাচাই করতে বহুবার চেষ্টা চালানো হয়েছে। রয়েছে নানা লোকের নানা মতামতও। সেরকমই সম্প্রতি একটি ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। শ্রীলঙ্কার আকাশে লাল জ্যোতিকে দেখে অনেকেই মনে করেছেন ইনিই হনুমানজি।

এই ছবিটি হনুমানজির এক ভক্তই তুলেছেন। ৬ মাস দীর্ঘ তপস্যার পর হনুমানজি আগুনের মধেয় দিয়ে তাকে দেখা দিয়েছেন। কাকতালীয়ভাবে লঙ্কাতেই আগুন ধরিয়েছিলেন তিনি।

বহু অভিযানের পর হনুমানজির পায়ের ছাপ পাওয়া গিয়েছে বলেও শোনা যায়। হনুমানজির ভক্তরা এবং প্রত্নতত্ববিদরা এক অতিকায় পায়ের ছাপ পাওয়ার কথা স্বীকারও করেছিলেন। শোনা যায় যে গন্ধমাদন পর্বতে যারা গিয়েছে এবং হনুমানজির দর্শন পেয়েছেন তারা আর জীবিত ফিরে আসতে পারেননি। কিন্তু শ্রীলঙ্কায় মাথাং নামে এক উপজাতির দাবি যে হনুমানজি তাদের প্রায়ই দেখা দেন। এই মাথাংরা দাবি করেন যে রামের মৃত্যুর পর তারাই হনুমানজির সেবা করেন।