স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: রাস্তায় নমাজের পালটা হনুমান চল্লিশা পাঠ৷ হাওড়ার বালির ডবসন রোডের ঘটনা৷

রাস্তা আটকে নমাজের বিরোধিতায় বিজেপি যুব মোর্চা। জুন মাসেই পথে নেমে বিরোধীতা করেছিল তারা৷ বালিখালে বজরংবলি মন্দিরের সামনে শখানেক বিজেপি কর্মী রাস্তায় বসে হনুমান চালিশা পাঠ করেছিলেন। বিজেপি যুব মোর্চার হাওড়া জেলা সভাপতি ওমপ্রকাশ সিংয়ের কথায়, ‘যতদিন না রাস্তা আটকে নমাজ পড়া বন্ধ হবে, ততদিন আমরাও রাস্তা আটকে হনুমান চালিশা পড়ব।’ গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, রাস্তা আটকে আমজনতাকে দুর্ভোগে ফেলার অধিকার কারও নেই।

আরও পড়ুন: কংগ্রেসে আরও দুই পতন, টালমাটাল কর্ণাটক সরকার

জেলা বিজেপির বক্তব্য, ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের থাকলে তা বাড়িতে করাই ভালো। রাস্তা আটকে মানুষকে বিপদে ফেলা উচিত নয়। ওমপ্রকাশ সিং বলেন, ‘ধর্মীয় আচার আচরণ পালনের জায়গা হল মন্দির, মসজিদ, গুরুদ্বার বা চার্চ। কিন্তু এই বাংলায় যবে থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এসেছে, তবে থেকে বাংলার সংস্কৃতি পুরোপুরি নষ্ট হতে বসেছে। দিদি আসার পর প্রত্যেক শুক্রবার জিটি রোড বন্ধ করে একটি সম্প্রদায়ের মানুষ নমাজ পাঠ করছে।’

এর প্রতিবাদে আগেই প্রতীকী আন্দোলন হিসেবে জিটি রোড বন্ধ করে বিজেপি যুব মোর্চার পক্ষ থেকে পাঁচ বার হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। ভবিষ্যতে রাস্তা জুড়ে নমাজ পড়া বন্ধ না হলে, প্রত্যেক মঙ্গলবার জেলার সমস্ত হনুমান মন্দিরের সামনে রাস্তা বন্ধ করে হনুমান চালিশা পাঠ করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: গেরুয়া উত্তরীয় ছাড়াই কলকাতায় ফিরে এলেন শোভন

গত মঙ্গলবারই বিজেপির প্রতীকী আন্দোলনে পাঁচ মিনিটের জন্য জিটি রোড বন্ধ হয়ে যায়। পাঁচ বার হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। তাতে ব্যাপক যানজট হয়ে যায়। এদিন হাওড়ার ডবসন রোড প্রায় মিনিট কুড়ি আটকে করা হয় হনুমান চল্লিশা পাঠ৷ এতেও ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়৷

তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়ের দাবি, ‘এটা একটা ধর্মীয় রীতি। বিজেপি এ সব করে রাজ্যে বিশৃঙ্খলার পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে।’