মৃত্যু শব্দটা খুবই ভয়ঙ্কর। তবে সেই মৃত্যু যদি হয় কোনো আপরাধের শাস্তি হিসেবে তবে তা আরো বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্নভাবে গড়ে ওঠা সম্রাজ্যের ছিল নিজস্ব কিছু আইন-কানুন। সে যুগে অপরাধীদের জন্য ছিল কঠিনতম শাস্তি।

চোখের বদলে চোখ, হাতের বদলে হাত নেওয়া থেকে এরপর গোত্র প্রধানের উৎপত্তি হলো। আবার নতুন নতুন সব নিয়মের (hanging punishment) জন্ম হলো কালের বিবর্তনের মাধ্যমে।

সেই শাস্তিগুলোর মধ্যে মধ্যে কিছু কিছু সম্পর্কে জানলে গা শিউরে (painful death) উঠবে।

১. মাজাটেল্লো: মাজাটেল্লো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার এক খুবই বীভৎস প্রক্রিয়া। শহরের মাঝে একটি উঁচু মঞ্চ বানিয়ে আসামিকে এনে তার মাথায় কাঠের তৈরি এক হাতুরি দিয়ে জোড়ে আঘাত করে দেওয়া হতো।

আরো পোস্ট- মানুষ থেকে কুকুর! কীভাবে হলেন যুবক

এর দ্বারা তার মাথা থেতলে দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হতো। এই প্রক্রিয়া চালু ছিল আঠেরোশ দশকের দিকে ইউরোপের এমন কিছু দেশে যেখানে পোপের আইন চালু ছিল।

২. চামড়া ছাড়ানো: নাম শুনেই তো বুঝতে পারছেন এটি কতটা বীভৎস হতে পারে। এই পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকে জীবিত অবস্থায় টেবিলের সঙ্গে বেঁধে সারা শরীর থেকে চামড়া ছাড়ানো হতো।

সেই ছাড়ানো চামড়া প্রকাশ্যে আবার টানিয়ে রাখা হতো। এর উদ্দেশ্যে ছিল যাতে সবাই শাসককে ভয় পায়।

৩. ন্যায়ের ঝাঁকি: এই প্রথা প্রথম দেখা যায় আমেরিকাতে। কিন্তু আমেরিকাতে বর্তমানে এই পদ্ধতি নিষিদ্ধ।

এক্ষেত্রে আসামিকে সবার সামনেই গলায় দড়ি পরিয়ে দড়িটি উপরে দিকে টেনে দেওয়া হতো। আর দড়িটি তোলার সময় তাকে ঝাঁকিয়ে দেওয়া হয়, যাতে আসামির ঘাড় ছিঁড়ে যায়।

৪. ক্যাথেরিনের চাকা (Catherine wheel): নামটি কোন নারীর নামের সঙ্গে সম্পর্কিত। ভাবা হয় যে ক্যাথিরিন নামে কেউ এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিল।

এখানে আসামিকে একটি চাকার সঙ্গে শক্ত করে বেঁধে দেওয়া হয়। সেই চাকাটি জোড়ে জোড়ে ঘুরতে থাকে।

জল্লাদ চাবুক বা লাঠি দিয়ে ঘুরতে থাকা আসামির গায়ে আঘাত করতে থাকে। এবার মোটা লোহা দিয়ে আসামির হাতে আর পায়ে পেরেক পুতে দেওয়ার পর আবার আঘাত করে জল্লাদ।

সেই অবস্থায় আসামিকে শহরের মাঝে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.