স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: ওরা সবাই সাধারণ সমাজের চোখে কিছুটা হলেও পিছিয়ে পড়া শ্রেণী৷ কিন্তু ওদের হাত ধরেই এবার বিশ্বজয় হবে বাংলার৷ ওদের কারোর শারীরিক প্রতিবন্ধকতা, আবার কেউ আইনি বেড়াজালে আটকে স্থান পেয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের নিমতৌড়ি তমলুক উন্নয়ন সমিতির হোমে।

আর সেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি স্বনির্ভর হয়ে ওঠার জন্য হোমের পক্ষ থেকে আবাসিকদের নানা ধরনের হাতের কাজ শেখানো হয়। এবার হোমের রুনু জানা, মৌমিতা পাল, পম্পা দাসদের তৈরি নানা ধরনের গহনা টোকিও পাড়ি দেওয়ার লক্ষ্যে৷ হোমের আবাসিকদের স্বনির্ভর করার জন্য ধান,পাট সহ অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়ে নানা ধরনের ঘর সাজানোর জিনিস, ব্যাবহারিক পোষাক ও নানা ধরনের গহনা তৈরি করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়৷

সেই প্রশিক্ষণ শেষে হাতের তৈরি জিনিস এবার টোকিওতে আয়োজিত ডিজাইন ও ড্রেস মেকিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চলেছে৷ হোমের সোনালী মাল, তনুশ্রী দন্ডপাটের হাতে তৈরি নানা সামগ্রী পাড়ি দিচ্ছে টোকিওতে৷ এরা মূক ও বধির দিব্যাঙ্গ। হোমের মৌমিতা পাল, রুনু জানা, পম্পা দাসেরাও পাড়ি দিচ্ছে টোকিও। তাদের তৈরি নানা ডিজাইনের গহনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করবে। তারই প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। আগামী মাসে টোকিওতে অনুষ্ঠিত হবে ডিজাইন ও ড্রেস মেকিং প্রতিযোগিতা।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে নিমতৌড়ি তমলুক উন্নয়ন সমিতির দিব্যাঙ্গ মহিলারা। তাই তারা রাতদিন এক করে প্রশিক্ষণে ব্যস্ত রয়েছে তাঁরা।


নিমতৌড়ি তমলুক উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক যোগেশ সামন্ত জানান, সরকারি নির্দেশে প্রতিবন্ধী ও নানা আইনি বেড়াজালে আটকে পড়া মেয়েদের আমাদের হোমে রাখা হয়। তাদের সুস্থ ও সুশিক্ষিত করে তোলার পাশাপাশি স্বনির্ভর করে তোলার জন্য নানা হাতের কাজের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেকেই আজ হাজার হাজার টাকা উপার্জনের পাশাপাশি সুনাম অর্জন করে চলেছে। এবার হোমের কয়েকজন টোকিওতে অনুষ্ঠিত ডিজাইন ও ড্রেস মেকিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের সুযোগ পেয়েছে। তাই তাদের প্রশিক্ষণ চলছে জোর কদমে।।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা