সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : ডাক্তাররা বলছেন হালিমে নাকি প্রচুর ইউমিউনিটি রয়েছে। ইউমিউনিটি ভর্তি এমন খাবার পৌঁছে গেল করোনা আক্রান্তদের বাড়িতে। সৌজন্যে সবুজ সঙ্গী। রেড ভলেন্টিয়ারদের পাল্টা সবুজ সঙ্গী। হুগলি জেলার যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কুন্তল ঘোষের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবার সবুজ সঙ্গী।

কুন্তল এখন কোভিড জয়ী। তিনশোর উপর স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে বহুদিন ধরেই আক্রান্ত পরিবারের পাশে কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী জেলা নিয়ে বিনামূল্যে পরিষেবা দিচ্ছিল ওরা। কখনো ভর্তি করা হাসপাতালে কখনো বা হাতে অক্সিমিটার লাগানো।

সম্প্রীতির ঈদের দিনে আক্রান্তদের সাথে এবার জেলা ভিত্তিক এলাকাভিত্তিক ‘সবুজ সঙ্গী’ হিসাবে পাশে থাকলেন কুন্তলরা। তৈরি হয়েছে যুবাদের নিয়ে গ্রুপ। কুন্তল বলেন, ‘ আমাদের দলনেত্রী তো সবসময় সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে এসেছেন। ঈদের দিনে আমাদের নিজেদের কিচেনে তৈরি করা পুষ্টিসমৃদ্ধ হালিম স্বেচ্ছাসেবকরা পৌঁছে দিয়েছেন আক্রান্তদের বাড়ি এবং সরকারি হাসপাতালের রোগীদের জন্য।’

মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের কর্মীদেরও করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়ে কোভিড মোকাবিলার কাজে এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছিলেন। বামেদের রেড ভলান্টিয়ার্সের মতোই পাড়ায় পাড়ায় বাহিনী গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। নির্দেশ মেনে এর আগে তৈরি হয়েছে কোভিড ক্লাব। স্থান, রিষড়ার সুভাষনগরে। সেখানেই এমনই এক ক্লাব তৈরি হয়েছিল আগেই।

আপাতত ২০ জনকে নিয়ে গড়ে উঠেছে রিষড়া সুভাষনগরের কোভিড ক্লাব। নাম গ্রিন ভলান্টিয়ার্স। ক্লাবের কর্ণধার শুভজিৎ সরকার। প্রসঙ্গত, করোনা আক্রান্ত ও তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সব রকমের সহযোগিতা করতে স্বেচ্ছাসেবক দল তৈরি করেছে সিপিএম। হাবড়া শহর এরিয়া কমিটির পক্ষ থেকে শহরের করোনা আক্রান্তদের সাহায্য করতে বাছাই করা কয়েকজনকে নিতে তৈরি হয়েছে ‘রেড ভলান্টিয়ার’ নামে একটি বাহিনী।

সিপিএম সূত্রে জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ফোন নম্বর দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে, দিন হোক বা রাত— যখনই কোনও প্রয়োজন হবে আক্রান্ত বা তাঁদের বাড়ির লোকজন যেন রেড ভলান্টিয়ারদের ফোন করেন। পাশাপাশি শহরে কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে সদস্যেরা সেখানে যাবেন যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে। ভরসা দিয়ে বলা হচ্ছে, যে কোনও প্রয়োজনে রেড ভলান্টিয়াররা তাঁদের পাশে রয়েছেন। পরিবারের লোকজনের কাছে ফোন নম্বর দিয়ে আসা হচ্ছে।

রেড ভলান্টিয়াররা এলাকার মানুষের মধ্যে করোনা এবং ডেঙ্গি নিয়ে সচেতনতার বার্তাও দিচ্ছেন। মানুষকে বোঝানোর দায়িত্ব নিয়েছেন এঁরা। বোঝানো হচ্ছে, জ্বর, সর্দি-কাশি শ্বাসকষ্ট এমন উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে করোনা পরীক্ষা করাতে। প্রয়োজনে রেড ভলান্টিয়াররা সঙ্গে করে নিয়েও যাচ্ছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.