হলদিয়াঃ শিল্পাঞ্চল হলদিয়ায় রুপনারায়ন নদীর পাড়ে দুটি মহিলার জ্বলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনার পাঁচদিন পর কিনারা করল পুলিশ। এই ঘটনার জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচদিন তদন্ত চালিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করা হল। তবে এই ঘটনার আরও অনেকে জড়িত রয়েছে বলে পুলিশের অনুমান। অভিযুক্তরা হল সাদ্দাম হোসেন ও মঞ্জুর আলম মল্লিক। রবিবার দুইজনকে হলদিয়া মহাকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের জামিন নাকচ করে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হলদিয়া রুপনারায়ন নদীর ঝিকুরখালি নির্জন এলাকায় দুটি মৃতদেহ জ্বলতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর তারা দূর্গাচক থানার খবর দেয়। পুলিশ এসে জল ঢেলে আগুন নেভানোর কাজ করে। দুটি মহিলার শরীরের অধিকাংশ পুড়ে যায়। পাশে দুটি গর্ত খোলা ছিল। পরিচয় জানতে পুলিশ যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। দুটি মৃতদেহ ময়নাতদন্তে জন্য পশ্চিম মেদিনীপুরে পাঠায়। এই ঘটনার গোটা রাজ্যে শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনার পরিদর্শন করতে আসেন ফরেনসিকের একটি টিম। দূর্গাচক থানার পুলিশকে নিয়ে পুরো ঘটনাটি পরিদর্শন করেন। এরপর সেখানে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দুই মহিলার পরিচয় উদ্ধারের জন্য সংবাদ মধ্যামে সাহায্য চাওয়া হয়। বিশ্বস্ত সূএের খবর দুই মহিলা বাড়ি কলকাতার নিউ ব্যারাকপুর এলাকায়। দুইজন সম্পর্কে মা ও মেয়ে। এই ঘটনা নিয়ে রবিবার সন্ধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সুপার ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠকে জানান, “কোন প্রেমের সম্পর্কের জেরেই এই ধরনের খুন। আমরা জানতে পারছি ওদের দুজনকে জ্যান্ত ভাবেই পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.