গরমকালে একদিকে যা গরম থাকে তার উপর আবার বারবার ঘামের জন্যে থাকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। সেই ঘাম বসতে পারে আপনার চুলের গোড়াতেও। এক টানা ঘামে ভিজে গিয়ে সেই চুলের গোড়া দূর্বল হতে থাকে। এর ফলস্বরূপ, চুল পড়াও শুরু হয়।

চুলের স্কাল্প আলগা হয়ে গিয়ে সহজেই চুল উঠতে শুরু করে এই সময়ে। এছাড়াও ঘাম ও মাথার ত্বক বা স্কাল্প-এর স্বাভাবিক তেলের ফলে চুলে তৈলাক্ত ভাব সৃষ্টি হয়। চুলে জট পড়ে যায় এর ফলে। এই কারণে চুল আঁচড়াতে গেলেই চিরুনিতে চুল জড়িয়ে সে একেবারে নাজেহাল অবস্থা। চুলের ফুরফুরে ভাবও নষ্ট হয়ে যায় এতে। শুধু তাই নয়, আপনার সেই সুন্দর সাজেরও হয় দফারফা। আপনার সুন্দর চুলের বারোটা বাজার আগেই শুরু করুন তার খেয়াল রাখা। তাহলেই পাবেন সুন্দর ঘন চুল।

১. যারা রোজ বাইরে বের হন কাজের জন্যে তারা একদিন অন্তর একদিন অবশ্যই শ্যাম্পু করার চেষ্টা করবেন স্নানের সময়ে। শ্যাম্পু করার সময়ে আঙুল দিয়ে হালকা হাতে মাথায় মাসাজ করবেন। এতে ময়লা উঠে আসবে সহজেই। শ্যাম্পুর পর অবশ্যই কোনো ভালো কন্ডিশনার ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

আরো পোস্ট- “কাঁচা আম দিয়ে মুরগি” অবাক হলেন তো…

২. অ্যালোভেরার রস যেকোনো ধরনের চুলের জন্য খুব ভালো ফল দেয়। তাই সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন স্নানের এক ঘন্টা আগে স্ক্যাল্প-এ অ্যালোভেরা-এর রস লাগিয়ে নিতে পারেন। এক মাস এই পদ্ধতি ফলো করলেই উপকার টের পাবেন।

৩. এই গরমে ত্বক তাড়াতাড়ি আদ্রতা হারিয়ে ফেলে। তাই রোজ প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন। খাবারের পাতে রাখুন প্রচুর পরিমাণ শাক-সবজি ও ফল। নিয়মিত কাঁচা আমন্ড খেতে ভুলবেন না। টাটকা ছোট মাছ বেশি করে খান হালকাভাবে রান্না করে। রোজ সকালে খান এক চামচ মধু।

৪. একটি পাত্রে তিন-চার চামচ পাতিলেবুর রস নিয়ে নিন। তাতে অল্প পরিমাণে জল মিশিয়ে দেবেন। চুলের গোড়ায় আলতো হাতে মাসাজ করবেন। ৩০ মিনিট তা রাখুন মাথায়। তার পরে তিন-চার চামচ নারকেল তেল বা আমন্ড তেল মাথায় আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করুন। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে দুই দিন স্নান করার করার আগে এটি করার চেষ্টা করুন। এই টিপসে চুলের গোড়া মজবুত হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.