স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: হাওয়া অফিসের অনুমানকে সত্যি করে জলপাইগুড়িতে শুরু হল কালবৈশাখী ঝড় সহ শিলাবৃষ্টি৷ বিকেলের দিকে আকাশ মেঘলা করে আসে৷ কিছুক্ষণের মধ্যে শুরু হয় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি৷ দারুণ দমকা হাওয়া ও বজ্র বিদ্যুৎ সহ শিলাবৃষ্টি শুরু হয়৷

এই গরমে বৃষ্টি জলপাইগুড়িবাসীকে স্বস্তি দিলেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছে৷ অনেক জায়গায় জলও জমে গিয়েছে৷ বিদ্যুৎ সংযোগ বেশ কিছু জায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়েছে৷ জলপাইগুড়ি গোশালা মোড় এলাকায় ঝড়ে উড়ে গেল বাড়ির চাল৷ সেটি উড়ে এসে ঝুলে পড়ে হাই টেনশন লাইনে। তাই সন্ধ্যা থেকে অন্ধকার নেমে এলো জলপাইগুড়িতে৷ শহরের বেগুনটারি মোড়ে ঝড় বৃষ্টির কারণে ব্যাপক যানজট।

মার্চ এপ্রিলের প্রথমদিকে নিয়মিত আনাগোনা ছিল ঝড়-বৃষ্টির। পরে তা উধাও হয়ে যায়। ফণীর পর অবস্থা অসহনীয় হয়ে ওঠে। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় লু বয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সূর্যের প্রখর তাপে অতিষ্ঠ হয়ে যায় আমজনতা। গত কয়েকদিনের বৃষ্টি সেই দহন জ্বালাকে দূরে সরিয়েছে।

গত ক’দিন ধরেই রাজ্যের বায়ুর পরিমণ্ডলে জলীয় বাষ্প পর্যাপ্ত তৈরি হয়, যা ফণী নিয়ে গিয়েছিল তা ফের হাজির হয়। সেটিকে ঠেলে তুলে দেয় বিহারের ঘূর্ণাবর্ত, সঙ্গ দিয়েছে উত্তর-দক্ষিণে বরাবর বিস্তৃত লম্বা নিম্নচাপ অক্ষরেখাও। ফল, বজ্রগর্ভ মেঘ সৃষ্টি এবং বৃষ্টি। তবে বুধবারেই সেগুলি অনেকটা হালকা হয়ে গিয়েছে তাই আজ থেকে বৃষ্টি কমবে। নতুন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে।