পানাজি: গোয়ার আবহাওয়া কী তাহলে ফুটবলারদের সত্যিই মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠছে? বৃহস্পতিবার ওডিশা এফসি’কে হারিয়ে আইএসএলে প্রথম তিনম্যাচের সবক’টিতে জয় তুলে নিয়েছে এটিকে-মোহনবাগান। কিন্তু তবুও উচ্ছ্বসিত হতে পারছেন না স্প্যানিশ কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। কারণ দলে একাধিক চোট-আঘাত সমস্যা। মাইকেল সুসাইরাজ প্রথম ম্যাচে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছেন টুর্নামেন্ট থেকে। এরপর এদু গার্সিয়া যুক্ত হয়েছিলেন তালিকায়। আর এদিন ম্যাচ জয়ের পর অজি স্ট্রাইকার ডেভিড উইলিয়ামসের চোটের কথা জানালেন হাবাস।

ওডিশা এফসি’র বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে বলতে গিয়ে হাবাস জানান, ‘এটিকে-মোহনবাগান আজকের তাদের সেরা খেলাটা উপহার দিতে পারেনি। কিন্তু ফলাফলটাই আমাদের কাছে শেষ কথা। ভালো লাগছে যে ম্যাচটা আমরা ১-০ ব্যবধানে জিততে পেরেছি।’ স্প্যানিশ কোচের সংযোজন, ‘বিশ্বের সমস্ত প্রথমসারির ফুটবল টুর্নামেন্ট তা সে বিশ্বকাপ হোক কিংবা কোপা আমেরিকা সবজায়গায় ৭০ শতাংশ গোল হয় কাউন্টার-অ্যাটাক থেকে।’ তবে সবকিছুর মাঝে হাবাসের দুশ্চিন্তার কারণ এদু এবং উইলিয়ামসের চোট।

এই দুই ফুটবলার কবে মাঠে ফিরতে পারবেন সেটা তাঁর জানা নেই। অর্থাৎ, হাবাসের কথাতেই পরিষ্কার খানিকটা বাধ্য হয়েই ওডিশার বিরুদ্ধে গত দু’টো ম্যাচের সুপার-সাব মনবীর সিংকে প্রথম একাদশে নামাতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু প্রথমে শুরু করে একেবারেই আশ্বস্ত করতে পারেননি পঞ্জাব কা পুত্তর। কিন্তু মনবীরের পাশে থাকছেন হাবাস। তাঁর কথায় ওকে ওর মূল্য বোঝাতে আরও কিছুদিন সময় দিতে হবে।

এদিকে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শক্তিশালী এটিকে-মোহনবাগানকে আটকে দিয়েও সংযুক্তি সময়ে গোল হজম করে হার সহজে মানতে পারছেন না ওডিশা কোচ স্টুয়ার্ট বাক্সটার। তাঁর কথায় এটিকে-মোহনবাগানকে আমরা একপ্রকার হুমকি ছুঁড়ে দিতে পেরেছিলাম। বাক্সটারের কথায়, আমরা ওদের সাপ্লাই চ্যানেল বন্ধ করে দিয়েছিলাম। অযথা ওদের প্রলোভনে পা দিইনি। আমরাও কাউন্টার-অ্যাটাক নির্ভর ফুটবলই খেলার চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় এটিকে-মোহনবাগানকে আমরা দুর্দান্ত সামলেছি।’

কিন্তু ৯০ মিনিট ভালো সামলালেও সংযুক্তি সময়ে এদিন ফতোরদা স্টেডিয়ামে গোল করে এটিকে-মোহনবাগানের নায়ক সেই রয় কৃষ্ণা। এদিন জয়ের পর থেকে ফিজি স্ট্রাইকারকে আবার ‘জয় কৃষ্ণা’ নামেও ডাকছেন অনেকে। তিরির ফ্রি-কিক থেকে হেডারে এদিন কৃষ্ণাকে গোলের বড় বাড়ান সন্দেশ ঝিঙ্গান। আর ডিফেন্ডারের বাড়ানো বল ধরে হেডারেই বাজিমাত করে যান ফিজি স্ট্রাইকার। টুর্নামেন্টে এটি ছিল তাঁর তৃতীয় গোল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।