মুম্বই: আমেরিকা এইচ ওয়ান বি ভিসা দেওয়া বন্ধ করায় ভারতীয় সংস্থা গুলির ক্ষতি ১২০০ কোটি টাকা যা তাদের সার্বিক মুনাফার ০.২৫-০.৩০ শতাংশের মতো। এমনটাই মনে করছে‌ মূল্যায়ন সংস্থা বা ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি ক্রিসিল।

ট্রাম প্রশাসনের এমন পদক্ষেপের ফলে মার্কিন মুলুকে কাজ করা ভারতীয় সংস্থাগুলিকে সেখানকার স্থানীয় লোকেদের আরো বেশি করে নিয়োগ করতে হবে। তবে গত কয়েক বছর ধরেই এই ক্ষেত্রে ভারতীয় তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলি কিছুটা খরচ বেড়েছে। ফলে তেমন বড় কোন প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে না ক্রিসিল রেটিংস।

সম্প্রতি করোনা সংকট দু’ভাবে ধাক্কা দিয়েছে আমেরিকাকে। একদিকে এই মারন ভাইরাসের কারণে দেশজুড়ে মৃত্যু-মিছিল দেখা গিয়েছে অন্যদিকে আবার লকডাউন জারি করায় চরমভাবে বিপর্যস্ত অর্থনীতি। আর্থিক পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে সেখানে ৪০ লক্ষের বেশি লোক কাজ হারিয়েছেন। সামনে ভোট অন্যদিকে দেশের মানুষ চাকরির জন্য অস্থির হয়ে পড়ছে। তাই নাগরিকদের চাকরির ব্যবস্থা করতে কাজের ভিসার ব্যাপারে কড়া ব্যবস্থা নেন ট্রাম্প। এর ফলে মার্কিনীরা দেশে ৫ লক্ষ ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে বলে মনে করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

ক্রিসিল জানিয়েছে, কোভিদ-১৯ এর প্রভাব ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলির মোট মুনাফার উপর প্রভাব পড়ছে ২.৫ শতাংশের মতো। তাছাড়া ১৫টি শীর্ষ সংস্থার পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে ২০২১ অর্থবর্ষে সংস্থাগুলির মুনাফা ২৩ শতাংশের মতো হবে।

এইচ ওয়ান বি এবং এল ওয়ান ভিসার প্রভাব সামান্যই যেহেতু একেবারে এন্ট্রি সিস্টেমে ‌ স্থানীয় লোক নিয়োগ করা হয়। সে ক্ষেত্রে তাদের জন্য ভিসা পুনর্নবীকরণে কোন প্রভাব পড়বে না। তাছাড়া দেখা গিয়েছে, এই ভিসা প্রত্যাখ্যান ২০১৬ অর্থবর্ষে যেখানে ছিল ৬ শতাংশ সেখানে ২০২০ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয়েছে ৩৯ শতাংশ। এর ফলে ওই ধরনের ভিসার উপর নির্ভরতা গত কয়েক বছর ধরেই কমে গিয়েছে ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ