গুয়াহাটি : আগের কড়াকড়ি তুলে এবার অনেকটাই স্বাভাবিক ছন্দে হাঁটতে শুরু করল অসম সরকার। অসম মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল জানিয়েছেন এবার জিম ও শপিং মলগুলি খুলে দেওয়া হবে রাজ্যে। সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত শপিং মল খোলার রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কামরূপ মেট্রোপলিটন জেলা সহ প্রতিটি জেলার ক্ষেত্রেই এই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। দোসরা অগাষ্ট থেকে চোদ্দই অগাষ্ট পর্যন্ত এই নির্দেশ বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার আন্তঃরাজ্য গাড়ি চলাচলেও ছাড় দিয়েছে এই রাজ্য। আলাদা করে কোনও গাড়ির অনুমতি নিতে লাগবে না বলে জানানো হয়েছে।

প্রশাসন জানিয়েছে সন্ধে ছটা থেকে সকাল ছটা পর্যন্ত যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও সঠিক স্যানিটাইজ পদ্ধতি রেখে খুলে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে রেস্তোরা ও হোটেলগুলিকে। তবে সরকার নির্দেশিত স্যানিটাইজেশন পদ্ধতি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ পালন করলে তবেই হোটেল খোলার অনুমতি মিলবে বলে খবর।

অসম সরকারের আনলক গাইডলাইনস অনুযায়ী ১০০ শতাংশ হাজিরা রাখতে হবে সরকারি দফতরগুলিতে। তবে গর্ভবতী মহিলারা বাড়িতে থেকে কাজ করার অনুমতি পেয়েছেন। অন্যদিকে এই সরকারি কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে।

তবে খোলার অনুমতি দেওয়া হয়নি সিনেমা হল, সুইমিং পুল, বিনোদন পার্ক, থিয়েটার, বার, অডিটোরিয়াম প্রভৃতিকে। জমায়েত নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, রবিবার পর্যন্ত অসমে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪২, ৯০৪। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১,১৭৮ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় ১৯,৯৪৩টি করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে বলে খবর। অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ১১,৩৫৪ জন। এর আগে, ২২শে জুলাই পর্যন্ত আন্তঃ রাজ্য গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয় অসমে। কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বন্ধ করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়। ব্যক্তিগত কারণে কেউ গাড়ি নিয়ে বেরোতে পারবেন না।

তবে গুয়াহাটি তিন সপ্তাহের লকডাউনের মেয়াদ আর বাড়াতে চায়নি সরকার। রাজ্যের মুখ্য সচিব কুমার সঞ্জয় কৃষ্ণা জানান, পণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর গাড়ি আটকানো হবে না।

আন্তঃরাজ্য ওষুধ সরবরাহেপ জন্য সংশ্লিষ্ট জেলার ডেপুটি কমিশনারের অনুমতিপত্র প্রয়োজন হবে। কামরূপ মেট্রোপলিটান জেলার জন্য আনলক ওয়ানের গাইডলাইন প্রকাশিত হয়। ২৮শে জুন থেকে লকডাউন শুরু হয় গুয়াহাটি ও সংলগ্ন এলাকায়।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা