সুভাষ বৈদ্য,কলকাতা: বৃহস্পতিবার থেকে বাংলা জুড়ে নিষিদ্ধ হয়েছে গুটখা, পানমশলা-সহ সমস্ত তামাকজাত দ্রব্য৷ আগেই রাজ্য সরকার সেই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে৷ কিন্তু বৃহস্পতিবার বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেল কলকাতা ও শহরতলিতে রমরমিয়ে চলছে তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবসা৷ ওই দিন ছিল আবার জাতীয় ক্যানসার সচেতনতা দিবস৷ শুক্রবারও দেখা একই চিত্র৷

২৫ অক্টোবর রাজ্য সরকার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে৷ সেখানে বলা হয়, ৭ নভেম্বর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকেই এই নয়া নিয়ম কার্যকর করা হবে৷ ব্যস ওই পর্যন্তই৷ অভিযোগ, তারপর এ নিয়ে আর তেমনভাবে প্রচার করা হয়নি কোথাও৷ সাবধান করা হয়নি বিক্রেতাদের৷ ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতারা জানেনই না যে, গুটখা, পানমশলা-সহ সমস্ত তামাকজাত দ্রব্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷

শহর ও শহরতলির বিভিন্ন দোকানে গিয়ে দেখা গেল, দোকানের সাজানো রয়েছে নিষিদ্ধ গুটখা,পানমশলা ও অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্য৷ ক্রেতারাও এসে প্রকাশ্যে কিনে খাচ্ছেন তামাকজাত দ্রব্য৷ দোকানদারকে এই বিষয় জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি যেন আকাশ থেকে পড়েন৷ বলেন, তাই নাকি! জানি না তো! রাজ্য সরকার এইগুলো বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে৷ একই উত্তর এল ক্রেতাদের কাছ থেকেও৷

সম্প্রতি রাজ্য সরকার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়,৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে এরাজ্যে গুটখা, পানমশলা, ও তামাক প্রকাশ্যে উৎপাদন, বিক্রি করা যাবে না৷ ওই দিন জাতীয় ক্যানসার সচেতনতা দিবস৷ তাই এই দিনে সমস্ত তামাকজাত দ্রব্য নিষিদ্ধ করা হবে৷ তামাক, গুটখা সেবনের ফলে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়৷

আগামী এক বছরের জন্য রাজ্যে গুটকা এবং তামাকজাত পানমশলা মজুদ এবং বিক্রি করা যাবে না৷ ২৫ অক্টোবর এই সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করেছে রাজ্যের খাদ্য সুরক্ষা কমিশনার তপনকান্তি রুদ্র। যে কোনও পণ্য যাতে নিকোটিন আছে, তা তৈরি করা, মজুদ করা বা বিক্রি করা আইনত দন্ডনীয় করা হয়। যদিও এই নির্দেশিকায় সিগারেটের কোনও উল্লেখ নেই।

কয়েকবছর আগেও গুটখা এবং চিউইং টোবাকো কেনা-বেচার ওপর প্রথমে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল খাদ্যসুরক্ষা কমিশনার৷ কিন্তু তারপরও রমরমিয়ে চলে ওই ব্যবসা৷ এখন দেখার বিষয় এবার প্রশাসন গুটখা, পানমশলা-সহ সমস্ত তামাকজাত দ্রব্য বন্ধ করতে কতটা সফল হয়৷

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।