ইন্দোর: সেমিফাইনালের পর রঞ্জি ফাইনালেও গুরবানির জাদু৷ ইডেনের দুই ইনিংস মিলিয়ে ১২ উইকেট নিয়ে একার হাতেই কর্নাটকের তারকাখচিত ব্যাটিং লাইনআপকে শুইয়ে দিয়েছিলেন রাজনীশ গুরবানি৷ দিল্লির বিরুদ্ধে ফাইনালেও আগুনে ফর্ম বজায় রাখলেন বিদর্ভ পেসার৷

আরও পড়ুন: বাগান জনতার হৃদয় জয় রহিমের

প্রথম দিন তেমন একটা নজর কাড়তে না পারলেও দ্বিতীয় দিনের সকালেই হ্যাটট্রিক করেন গুরবানি৷ পর পর তিন বলে তিনি ফিরিয়ে দেন বিকাশ মিশ্র, নবদীপ সাইনি ও ধ্রুব শোরেকে৷ ইতিহাসের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব দেখান রাজনীশ৷

আরও পড়ুন: জাতীয় ভলিবল ফাইনালে বাংলা

প্রথম দিনের শেষে দিল্লির স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ২৭১ রান৷ তার পর থেকে খেলতে নেমে একসময় নতুন করে কোনও উইকেট না হারিয়ে ২৯০ রান পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল দিল্লি৷ এর পরেই শুরু গুরবানি ম্যাজিক৷ মাত্র ৫ রানের মধ্যে দিল্লির শেষ চারটি উইকেট তুলে নেন তিনি৷ চারজনকেই বোল্ড করেন রাজনীশ৷

আরও পড়ুন: ‘লজ্জায় ড্র’, স্লোগান উঠল ’সঞ্জয় গো ব্যাক’

১০১ তম ওভারের পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে তিনি ফেরান বিকাশ (৭) ও সাইনিকে (০)৷ ইনিংসের ১০৩ তম ওভারে পুনরায় বল করতে এসে প্রথম বলেই গুরবানি সাজঘরে ফেরান শতরানকারী শোরেকে (১৪৫)৷ ওই ওভারের পঞ্চম বলে খেজরোলিয়ার স্ট্যাম্প ছিটকে দিয়ে ২৯৫ রানে দিল্লির প্রথম ইনিংসে দাঁড়ি টেনে দেন তিনি৷

আরও পড়ুন: সুশীল-পরভিন সমর্থকদের মধ্যে মারপিঠ

সব মিলিয়ে প্রথম ইনিংসে ৫৯ রানের বিনিময়ে ৬টি উইকেট নেন রাজনীশ৷ দু’টি উইকেট নিয়েছেন অভিষেককারী আদিত্য৷ পাল্টা ব্যাট করতে নেমে মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে বিদর্ভ বিনা উইকেটে ৪৫ রান তুলে ফেলে৷ ফৈজ ফজল ও সঞ্জয় রামাস্বামী ওপেনিং জুটিতে ৯৬ রান তোলে৷ সঞ্জয় ৩১ ও ফজল ৬৭ রান করে আউট হন৷ দু’জনকেই ফেরত পাঠান আকাশ সুদান৷ গণেশ সতীশ ১২ রান করে সাইনির বলে এলবিডব্লিউ হন৷ শেষবেলায় অপূর্ব ওয়াংখাড়ে ২৮ রান করে খেজরোলিয়ার শিকার হন৷ ওয়াসিম জাফর একপ্রান্ত আঁকড়ে লড়াই চালিয়ে যান৷ আপাতত দ্বিতীয় দিনের শেষে বিদর্ভ তাদের প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৬ রান তুলেছে৷ জাফর ৬১ রানে অপরাজিত রয়েছেন৷

আরও পড়ুন: গোধূলিতে বিরাটদের অন্ধকারে পাঠানোর হুঙ্কার মর্কেলের

গুরবানির আগে রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তামিলনাড়ুর বি কল্যাণসুন্দরম৷ ১৯৭২-৭৩ মরশুমে চেন্নাইয়ে বম্বের বিরুদ্ধে তিনি এমন কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন৷ যদিও তাঁর দল ম্যাচ জিততে পারেনি৷

তৃতীয় বোলার হিসেবে বিদর্ভের হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে হ্যাটট্রিক করলেন গুরবানি৷ প্রীতম গান্ধের মুকুটে এমন দুটি পালক রয়েছে৷ ১৯৯৩-৯৪ মরশুমে আলুরে রাজস্থানের বিরুদ্ধে প্রথমবার হ্যাটট্রিক করেন তিনি৷ ২০০৮-০৯ মরশুমে দিল্লির পালামে সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে তুলে নেন নিজের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক৷ ২০১৫-১৬ মরশুমে উমেশ যাদব নাগপুরে রাজস্থানের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেছিলেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।