লন্ডন: জানুয়ারি ট্রান্সফার উইন্ডোতে দলে যোগ দেওয়া ব্রুনো ফার্নান্ডেজ কিংবা ওদিয়ন ইঘালো। গোলের খাতায় নাম তুললেন দু’জনেই। সঙ্গে জোড়া গোল ফ্রেডের। অপর গোলটি ম্যাকটোমিনের। দশজনের ব্রুগকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোয় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। এগ্রিগেট ধরলে হিসেবটা ৬-১।

৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ট্রান্সফার ফি দিয়ে জানুয়ারি ট্রান্সফার উইন্ডোতে তাঁকে দলে নিয়ে যে বুদ্ধিমানের কাজ করেছনে কর্তারা, বুঝিয়ে দিচ্ছেন ব্রুনো। প্রথমার্ধে এদিন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ম্যান ইউ’য়ের ৩টি গোলের পিছনেই ভূমিকা রয়েছে স্পোর্টিং লিসবন থেকে আসা তরুণ মিডফিল্ডারের। ২৭ মিনিটে স্পটকিক থেকে গোল করে দলের খাতা খোলেন বছর পঁচিশের ব্রুনো। সাইমন ডেলির ইচ্ছাকৃত হ্যান্ডবলের কারণে পেনাল্টি উপহার পায় ম্যান ইউ।

এরপর ৩৪ মিনিটে মাতার পাস থেকে ইঘালো গোল করলেও প্রাথমিক বলটি মাতার জন্য সাজিয়ে দিয়েছিলেন ব্রুনোই। ৪১ মিনিটে ম্যাকটোমিনের গোলের পিছনেও একইভাবে অবদান রাখেন ব্রুনো। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লুক শ ও ম্যাসন গ্রিণউড গোলের কাছে পৌঁছে গেলেও গোল তুলে নিতে পারেননি। শেষ দস মিনিটে বিপক্ষ রক্ষণে অভিযান চালিয়ে আরও দু’গোল তুলে নেয় লাল ম্যাঞ্চেস্টার।

৮২ মিনিটে লিংগার্ডের কাটব্যাক থেকে চতুর্থ গোলটি করেন ফ্রেড। ম্যাচের একদম অন্তিম শটে দলের হয়ে পঞ্চম গোলটিও ফ্রেডের। এক্ষেত্রে তাঁর বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত ভলি খুঁজে নেয় গোলের ঠিকানা। শুক্রবার শেষ ষোলোর ড্র ঘোষণা হওয়ার আগে সোল্কজায়েরের দলের এই পারফরম্যান্স যে কোনও দলের কাছেই যে চিন্তার কারণ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

তবে ম্যাঞ্চেস্টারের পথে হেঁটে শেষ ষোলোয় পা রাখতে ব্যর্থ আর্সেনাল। ওলিম্পিয়াকোসের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে ছিটকে গেল গানার্সরা। এগ্রিগেট ২-২ অবস্থায় শেষ হলেও অ্যাওয়ে গোলের নিরিখে শেষ ষোলোর শিঁকে ছিঁড়ল গ্রীসের ক্লাবটির।