আলোকিত গুলশন ক্যাফে

ঢাকা: নাশকতার আঁধার কাটিয়ে ফের আলোকিত হোলি আর্টিজান ক্যাফে৷ রবিবার নতুন করে সেজে উঠেছে৷ ভয়াবহ জঙ্গি আক্রমণের ১৩৪ দিন পার হয়েছে৷ বাংলাদেশের জঙ্গি দমন শাখার হাতে মরেছে গুলশন হামলার মূল চক্রী তামিম আহমেদ চৌধুরী ওরফে বাংলার বাঘ৷

ফাইল
ফাইল

সেই ভয়ঙ্কর মুহূর্ত এখন অতীত৷ তবে জ্বালা ধরা অতীত৷  গত ১ জুলাই ঈদের আগে আনন্দে মাতোয়ারা ছিলেন বাংলাদেশের জনগণ৷রমজান চলছিল৷ তেমনই সময়  সন্ধ্যার পর ভয়াবহ জঙ্গি হামলা হয়।  ১৭ বিদেশি সহ ২০ জনকে কুপিয়ে, গুলি করে  খুন করা  হয়৷ ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশন৷ সেখানেই হোলি আর্টিজান ক্যাফে৷ হামলার পরদিন সকালে কমান্ডো অভিযানে রেস্তোরাঁটি জঙ্গি মুক্ত হয়। পাঁচ জঙ্গিকে খতম করা হয়৷ ৩২ জনকে উদ্ধার করা হয়।  ক্যাফের ভিতরে ছিল মৃতদেহের স্তুপ৷ ইসলামিক স্টেট বিবৃতি দিয়ে হামলা দায় স্বীকার করেছে৷ সেটি মানতে নারাজ বাংলাদেশ সরকার৷

gulshan-investiভয়াবহ সেই গুলশন হামলার পর বন্ধই ছিল হোলি আর্টিজান ক্যাফে৷ বন্ধ ক্যাফে ঘিরে ছিল দীর্ঘশ্বাস ও নিঃসঙ্গতা৷ রবিবার আলোয় ভরে গিয়েছে সেই ‘মৃত্যুপুরী’৷ ঝলমল করছে ক্যাফে চত্বর৷ তবে নিঃসঙ্গতা কাটেনি৷  নতুন করে সেখানে রেস্তোরাঁ চালু করা হবে না৷  এমনই জানিয়েছেন ক্যাফের কর্ণধার সাদাত মেহেদি। তিনি জানান, সেখানে তারা বসবাস করবেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে,  তদন্তের প্রয়োজনেই এতদিন হোলি আর্টিজান রেস্তোরাঁ তাদের  নিয়ন্ত্রণে ছিল। জঙ্গি হামলার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ সূত্র ও প্রমাণ  ছিল সেখানে।  তদন্তকারীদের  প্রাথমিক তদন্ত কাজ শেষ হয়েছে। তাই মালিক পক্ষের হাতে ফের তুলে দেওয়া হচ্ছে গুলশনের হোলি আর্টিজান ক্যাফে৷