আহমেদাবাদ: অবাক কাণ্ড! মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানীর সিদ্ধান্তে চোখ কপালে উঠেছে অনেকের। পাঁচটি শহরে ৭০-তলা বিল্ডিং নির্মাণে শিলমোহর দিয়েছে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী, এমনটাই খবর মিলেছে সরকারি সূত্রে। রাজ্যে বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, উচ্চতায় ২৩টি ফ্লোর অবধি অনুমতি দেওয়া হয়। এবার সেই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার।

কমন জিডিসিআর ৭০-তলা কিংবা তারবেশি উচ্চতা নির্মাণে অনুমতি দিতে চলেছে। আহমেদাবাদ, ভাদোদরা, সুরাত, রাজকোট, গান্ধীনগর এই পাঁচ শহরে এই নিয়ম লাগু হতে চলেছে। হাই-রাইজ নির্মাণের নতুন নিয়ম সরকারের অনুমোদন পেয়েছে। এই নিয়ম ১০০ মিটারের বেশি উচ্চতার নির্মাণের ক্ষেত্রেই লাগু হবে। একটি বিশেষ টেকনিক্যাল কমিটি তৈরি করা হবে যারা এইরকম প্রজেক্টে অনুমোদন দেবে, এমনটাই উল্লেখ রয়েছে বিবৃতিতে।

এক্ষেত্রে স্কাইস্ক্র্যাপার যার উচ্চতা ১০০ থেকে ১৫০ মিটারের মধ্যে হয় তাঁর জন্য প্লট সাইজ অন্ততপক্ষে ২৫০০ স্কোয়্যার কিলোমিটার এবং ১৫০ মিটারের বেশি হলে ৩৫০০ স্কোয়্যার কিলোমিটার হতে হবে। বিপর্যয় মোকাবিলার প্রস্তুতির পাশাপাশি, মডেল স্ট্রাকচারের একটি উইন্ড টানেল টেস্ট নতুন নিয়মের আওতায় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নতুন নিয়মে জমির যথাযথ ব্যবহার হবে বলেই মনে করেন বিজয় রুপানী। এই সিদ্ধান্তের ফলে ঘরবাড়ির দাম কিছুটা কম হবে বলেও তিনি আশাপ্রকাশ করেছেন। তবে অবশ্যই থাকছে প্রশ্ন। উপকূলবর্তী এই রাজ্যের পাঁচ শহরে এমন অনুমোদন দেওয়ায় নানা মত উঠে আসছে। এমনিতেই অতিবৃষ্টিতে কাহিল গুজরাত।

সমুদ্র লাগোয়া বলে নুন বেশি। সেক্ষেত্রে কিভাবে, কী পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে তা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। তাছাড়াও গুজরাতের অন্যতম বড় সমস্যা ভূমিকম্প। জুন মাসে ২৪ ঘণ্টায় তিনবার ভূমিকম্প হয়েছে গুজরাতে। ভূমিকম্পের ভয়াবহ স্মৃতি রয়েছে গুজরাতের।

শেষবার ২০০১ সালে প্রবল ভূমিকম্প হয় সেই রাজ্যে। এছাড়া, ১৯৫৬ ও ১৯১৮ তেও ব্যাপক ভূমিকম্প হয় গুজরাতে। ২০০১ সালের ২৬ জানুয়ারি ৬.৯ মাত্রা কম্পন নয়, যা স্থায়ী হয়েছিল প্রায় ১০০ সেকেন্ড। কেঁপে উঠেছিল পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপালও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।