সুরাট: কোচিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত পড়ুয়াদের দেখতে হাসপাতালে গেলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি। সেই সঙ্গে মৃতদের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।

দাউদাউ করে জ্বলছে তিন তলার ক্লাসরুম। প্রাণ বাঁচাতে পড়িমরি করে ছুটোছুটি করছে পড়ুয়ারা। প্রাণ বাঁচাতে তিন তলার ক্লাসরুম থেকেই ঝাঁপ বহু পড়ুয়ার। সুরাটের সারথানা এলাকার একটি কোচিং সেন্টারে শুক্রবার দুপুরে আগুন লাগার ঘটনায় মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়ায়। বহুতলের তিন তলায় ছিল কোচিং সেন্টারটি। সেখান থেকে প্রাণভয়ে ঝাঁপ দেয় পড়ুয়ারা। স্থানীয় এক সাংবাদিক সেই ভয়াবহ ভিডিও পোস্ট করেন। যে ভিডিওতে দেখা গিয়েছে জানলা দিয়ে ঝাঁপ দিচ্ছে পড়ুয়ারা। আপাতত পাওয়া খবরে, ২০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গুরুতর আহত হয়েছে বহু পড়ুয়া।

 

গুজরাতের সুরাটের সারথানা এলাকার তক্ষশিলা কমপ্লেক্সের তিন তলায় ছিল কোচিং সেন্টারটি। প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে, শর্ট সার্কিটের কারণেই আগুন লেগে থাকতে পারে। দমকলের একজন আধিকারিক জানিয়েছেন, একেবারে নিচের তলা থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে উপর তলায়। ১৯ টি দমকলের ইঞ্জিন এবং ২ টি হাইড্রলিক প্ল্যাটফর্ম নামান হয়েছে। দমকলের চেষ্টায় ১ ঘণ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুন লাগার সময় ঘটনাস্থলে প্রায় ৫০ জন পড়ুয়া ছিল। তাদের মধ্যে ১০ জন ঝাঁপ দেয় তিন তলা থেকে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া তথ্যে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ওই বহুতলটি খালি করে দেওয়া হয়েছে। কেউ আটকে নেই সেখানে। স্থানীয়রাও উদ্ধার কাজে হাত লাগান। ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন নরেন্দ্র মোদী। টুইটে তিনি জানিয়েছেন, “সুরাটে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমি মর্মাহত। আমি ওদের পরিবারের পাশে আছি। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। গুজরাত সরকার এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সম্ভাব্য সহায়তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” টুইটে দুঃখ প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহও।