আহমেদাবাদ: করোনা যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য ভারতে এখন চলছে দেশজুড়ে ২১ দিনের লক ডাউন। কিন্তু তার মধ্যে বেশ কিছু অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে ব্যাংক পরিষেবা। এই পরিস্থিতিতে গুজরাটের ব্যাংক অফ বরোদার একটি ভিডিও ‌ ঘুরছে এখন ইন্টারনেটে। ওই ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে ব্যাংকের শাখায় চেক জমা হলে সেটিকে ইস্ত্রি করে‌ ডিসইনফেক্ট করা হচ্ছে।

আবার শিল্পপতি আনন্দ মহিন্দ্রকে দেখা গিয়েছে, ওই ভিডিওটি আবার টুইট করে শেয়ার করতে যাতে ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।

ওই ভিডিও ক্লিপিং-এ দেখা যাচ্ছে এক গ্রাহক জানলা দিয়ে চেক জমা দিলে তা ক্যাশিয়ার এর কাছে আসছে। মুখে মাস্ক এবং হাতে গ্লাভস পরিহিত ওই ব্যাঙ্ক কর্মীটি সেটিকে গ্রহণ করে টেবিলের উপর রাখছেন এবং তারপর টেবিলে রাখা বৈদ্যুতিক ইস্ত্রিটি ব্যবহার করছেন ওই চেকটির উপর যাতে ইস্ত্রিটির স্টিমে চেকটি ডিস ইনফেক্ট হয়।

২৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি পোস্ট করার পর ইতিমধ্যেই ১১৮কে ভিউ হয়ে গিয়েছে। বহু নেটিজেনকে এই বিষয়ে তাদের মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। কেউ কেউ ওই ভিডিও দেখে মস্করাও করেছেন। কেউ কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন আবার কেউবা প্রশ্ন করেছেন এই পদ্ধতি কতটা গ্রহণযোগ্য তা নিয়ে।

এদিকে,ব্যাংক অফ বরোদা অফিসিয়াল হ্যান্ডেলে আনন্দ মহিন্দ্রকে এরকম একটি ভিডিও টুইট করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।