হাওড়া : রাস্তার পাশে স্তূপীকৃত লক্ষাধিক টাকার হোগলায় আগুন লেগে ভস্মীভূত হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল গ্রামীণ হাওড়ার উলুবেড়িয়া থানার ললিতাগোড়ী মোড়ে। ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে এলাকার হোগলা চাষিদের।

জানা গিয়েছে, ললিতাগোড়ী মোড়ে একটি জায়গায় প্রায় দেড় হাজার বান্ডিল হোগলা রাখা ছিল। বুধবার বিকালে আচমকাই সেখানে আগুন লেগে যায়। দাহ্য পদার্থ হওয়ায় সহজেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় মানুষ আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। খবর দেওয়া হয় দমকলে। ঘটনাস্থলে আসে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। প্রায় ঘন্টা তিনেকের চেষ্টায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়। ঠিক কী কারণে আগুন লাগল তা জানা যায়নি।

হোগলার মরশুম মূলত বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত। আশ্বিন ও কার্ত্তিক মাসে হোগলা কাটা হয়। সারা বছরই হোগলার তৈরি জিনিসের চাহিদা ও বাজার থাকে। হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়া অঞ্চলের একটি অন্যতম শিল্প হল হোগলা শিল্প। হোগলার পাতা দিয়ে মাদুর, ছই, প্রভৃতি তৈরি করেন হোগলা শিল্পীরা। হোগলা শিল্পকে কেন্দ্র করে বহু পরিবার পরিবার বেঁচে আছে। কেউ হোগলা শিল্পের কারিগর হিসেবে কাজ করে, কেউ হোগলা থেকে তৈরি জিনিস বিক্রি করে রুজি রোজগার করে।

উলুবেড়িয়ার নোনা,করাতবেড়িয়া ও নিমদিঘি সংলগ্ন এলাকার প্রচুর মানুষের রুটি-রুজির অন্যতম সংস্থান হোগলা শিল্প। হাওড়া জেলার মধ্যে শুধু উলুবেড়িয়ার নিমদিঘিই নয়, আশেপাশের অঞ্চলের মানুষও আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়ে উঠছে এই শিল্পের হাত ধরে। কুলগাছিয়া, হাটগাছা, পালিতাবাউড়ী, বীরশিবপুর, নলপুর, আবাদা ও সাঁকরাইল অঞ্চলে হোগলার তৈরি চাটাই, মাদুর ও অন্যান্য জিনিসের ভাল বাজার তৈরি হচ্ছে।

হুগলী নদীর পলি সমৃদ্ধ এলাকা, নিচু জমি, হোগলা ফলনের জন্য আদর্শ। উলুবেড়িয়ার উর্বর মৃত্তিকা, হুগলী ও দামোদরের সেচের অফুরন্ত জল। এই অঞ্চল মূলত কৃষিপ্রধান এলাকা। এই সকল অঞ্চলের রেল লাইন এবং বোম্বাই রোডের পাশের ঝিলগুলিতে বিনা খরচায় ও বিনা পরিশ্রমে হোগলা জন্মায়। এছাড়া বীরশিবপুর গ্রামের হাটগাছা,ললিতাগোড়ি এবং বাহাদুরপুর অঞ্চলে নিচু জমিতে হোগলার চাষ করে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা একটি মরশুমের জন্য হোগলা বনের সত্ত্ব নিয়ে নেন। উলুবেড়িয়া অঞ্চলের কারিগরদের তৈরি হোগলা ছই রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে তো বটেই, অন্যান্য রাজ্যেও ভাল চাহিদা আছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ওড়িশা ও মধ্যপ্রদেশেও চালান হয়ে থাকে নিয়মিত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।