কলকাতা: করোনায় বন্ধ স্কুল কলেজ৷ বন্ধ প্রাইভেট টিউশন৷ ঘরবন্দি অতিথি শিক্ষকরা৷ খরচ আছে, আয় নেই৷ তার উপর অভিযোগ তাদের ভাতা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে কলেজ পরিচালন সমিতি৷ অভিযোগের ভিত্তিতে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷

সোশ্যাল মিডিয়ায় শিক্ষামন্ত্রী পোস্ট করে লিখেছেন,আমরা লক্ষ্য করে দেখেছি যে সমস্ত কলেজ নিজেরাই অতিথি শিক্ষক নিয়েছিলেন তাদের কলেজ পরিচালন সমিতি ভাতা দেওয়া বন্ধ করেছে।

রাজ্য সরকার যখন প্রয়োজন ও ইউজিসি নিয়মাবলী কে সামনে রেখে একটা তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে ঠিক তখনই কলেজ পরিচালন সমিতি তাদের নেওয়া অতিথি শিক্ষকদের নিজেদের থেকে ভাতা দেওয়া বন্ধ করেছেন৷

রাজ্য সরকারের দৃষ্টিতে এ বিষয়ে বেশ কিছু অতিথি শিক্ষক অভিযোগ জমা দিয়েছেন৷ এই মুহূর্তে করোনা আক্রান্ত সারা দেশ৷ রাজ্য সেই প্রেক্ষাপটে কলেজ যখন নিজেরাই তাদের ভাতা ভিত্তিতে নিয়েছে, তাদের সেই ভাতা দেওয়া যেন বন্ধ না করা হয়৷ যতক্ষণ না পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে৷

শিক্ষা দফতর আগেই জানিয়েছিল,দফতরের অনুমোদন ছাড়া অতিথি অধ্যাপক নিয়োগ করা যাবে না কলেজে। গত বছর নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছিল শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

উচ্চশিক্ষা দফতরের নজর এড়িয়ে কোনও নিয়োগ করা যাবে না। শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, শিক্ষা দফতরকে না জানিয়েই এককভাবে অতিথি অধ্যাপক নিয়োগ করে কলেজের পরিচালন সমিতি। এর আগে পার্ট টাইম শিক্ষক, গেস্ট লেকচারার সহ বহু অপ্রয়োজনীয় পদে নিয়োগ হয়েছে। যার জেরে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকরা। তবে এবার সেই নিয়ম বদল হবে। কোন কলেজে কত শিক্ষক প্রয়োজন, সরকারের আর্থিক অবস্থার দিকে নজর রেখে তা ঠিক করবে শিক্ষা দফতর।

অন্যদিকে আশ্বাস দিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এও জানিয়েছিলেন, যাঁরা অতিথি অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন তাদের জন্য সুখবর। ইউজিসি-র নিয়ম অনুযায়ী যেসব অতিথি অধ্যাপকদের যোগ্যতা আছে, কলেজ সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় তাঁদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে স্থায়ীকরণের কথা ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁদের যোগ্যতা নেই তাঁদের বিষয়টিও ভাবনা-চিন্তা করে দেখবে শিক্ষা দফতর। তবে শিক্ষা দফতরের অনুমোদন ছাড়া কোনও কলেজে অতিথি অধ্যাপক নিয়োগ নয়।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।