নয়াদিল্লি: সোমবার ১২ অক্টোবর জিএসটি ক্ষতিপূরণ নিয়ে বৈঠক বসছে। এর আগে দুটি বৈঠক ব্যর্থ হওয়ায় এদিনের বৈঠকের দিকে অনেকেই তাকিয়ে রয়েছেন। গত সপ্তাহের ৫ অক্টোবরে বৈঠক ঘিরে রীতিমতো উত্তপ্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল।

সেদিন কেন্দ্র রাজ্যগুলির উপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে গেলে রুখে দাঁড়ায় পশ্চিমবঙ্গ কেরালাসহ বিজেপি বিরোধী রাজ্যগুলি। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের নেতৃত্বে আজকের বৈঠকে ঐক্যমত্ত সমাধান সূত্র মিলবে নাকি আগের মতোই বৈঠক অমীমাংসিত থাকবে সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে বিভিন্নমহল। অবিজেপি রাজ্যগুলির দেওয়া এই ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে মন্ত্রিগোষ্ঠী গঠনের প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা হতে পারে এদিন।

সপ্তাহে জিএসটি পরিষদের বৈঠক রীতিমতো উত্তপ্ত ছিল। সেদিন বিজেপি শাসিত রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর সংখ্যা বেশি থাকলেও বিজেপি বিরোধী রাজ্যের অর্থমন্ত্রীরা ক্ষতিপূরণের বিষয়ে ভোটাভুটি চান। যদিও পর্ষদে কোন সিদ্ধান্ত ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে হয়ে থাকে। দীর্ঘ সাত -আটঘণ্টা ধরে বৈঠক হলেও বিষয়টি নিয়ে একমত হওয়া যায়নি। যার ফলে পরবর্তী আলোচনার জন্য ফের ১২ অক্টোবর বৈঠক ডাকা হয়।

সেদিনের বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের অমিত মিত্র কেরলের টমাস আইজ্যাক কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের দেওয়া প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। শুধু তাই নয় তারা অভিযোগ তোলেন সংখ্যাগরিষ্ঠতার দোহাই দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তাদের উপর নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছেন।

এদিকে দেখা যায় কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী শাসিত রাজ্য গুলির পাশাপাশি বিজেপি সঙ্গী অন্ধ্রপ্রদেশ তেলেঙ্গানা এই ইস্যুতে সঙ্গে নেই। বাদানুবাদ চলতে থাকায় বিহারের উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুশীল মোদী প্রস্তাব দেন ফের বৈঠকে বসার।

করোনা এবং লকডাউনের জেরে অর্থনীতির বেহাল দশা। তার ফলে রাজস্ব কমেছে। এদিকে প্রতিশ্রুতি মত জিএসটি ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় রাজ্যগুলিকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে।এর আগে ওই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বদলে কেন্দ্র রাজ্যগুলিকে ঋণ নেওয়ার কথা বলেছিল।

কেন্দ্রীয় হিসেব অনুসারে, চলতি আর্থিক বছরের জন্য রাজ্যগুলির ক্ষতিপূরণ দরকার ৩ লক্ষ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৬৫,০০০ কোটি টাকা মিলবে জিএসটির অন্তর্গত সেস থেকে। যার ফলে এক্ষেত্রে মোট ঘাটতি হতে পারে ২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা। এরমধ্যে ৯৭,০০০ কোটি টাকা জিএসটির জন্য ঘাটতি হবে আর বাকিটা করোনার প্রভাবে অর্থনীতির অবস্থান জন্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I