নয়াদিল্লি: আগামীকাল শুক্রবার পণ্য পরিষেবা কর পর্ষদের বৈঠক বসছে। করোনা সংকটের প্রভাবে কর বাবদ রাজস্ব আদায় এবং কেমন করে বিভিন্ন রাজ্যগুলিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া যায় তার পর্যালোচনা বৈঠকে হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের নেতৃত্বে ৪০ তম‌ পণ্য পরিষেবা কর পর্ষদের বৈঠক হবে। ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যের অর্থমন্ত্রীরা বা প্রতিনিধিরা তাতে অংশ নেবেন।

সূত্রের খবর পর্ষদের এই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে যারা ২০১৭ সালের অগস্ট থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত জিএসটি রিটার্ন ফাইল করে নি, তাদের সেই জন্য ধার্য লেট ফি মকুব করা হবে কিনা। তবে এই বৈঠকে করের হার কোনরকম পরিবর্তন করা হবে না বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। কিন্তু আলোচনায় থাকবে এই পণ্য পরিষেবা কর চালু করার জন্য রাজ্যগুলির যে রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা কেমন ভাবে করা যায়।

এই বৈঠকে আলোচনা হবে করোনাভাইরাস অতি মহামারী কারণে কেন্দ্র ও রাজ্যের আয়ে কতটা প্রভাব ফেলেছে এবং যে ঘাটতি হচ্ছে সেটা মেটানোর উপায় কি তা নিয়ে। রাজস্ব আদায়ে অনিশ্চয়তা এবং রিটার্ন ফাইল করার সময়সীমা বাড়ানোর পাশাপাশি সরকার এপ্রিল এবং মে মাসে কত রাজস্ব আদায় হয়েছে তা প্রকাশ করেনি।

এর আগে পর্ষদের বৈঠক বসে ছিল ২০২০ সালের ১৪ মার্চ। তখন সীতারামন জানিয়েছিলেন, কেন্দ্র খতিয়ে দেখছে বাজার থেকে ঋণ করে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা যায় কিনা। জিএসটি চালু হবার সময় এটাই শর্ত ছিল প্রথম পাঁচ বছর রাজ্যগুলির আয়ের দিক থেকে ক্ষতি হলে সেটা মিটিয়ে দেবে কেন্দ্র। ২০১৭ সালের ১ জুলাই জিএসটি চালু হয়েছিল। বর্তমানে জিএসটি কাঠামোতে চারটি স্তরে কর ধার্য করা হয় সেগুলি যথাক্রমে ৫,১২,১৮ এবং ২৮ শতাংশ হারে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ