নয়াদিল্লি:জিএসটি চালুর শর্ত অনুসারে রাজ্যগুলিকে ক্ষতি পূরণ দিতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছে কেন্দ্রে ৷ জিএসটি চালুর সময় কেন্দ্র ও রাজ্যের অর্থমন্ত্রীরা ধরেছিলেন বছরে অন্তত ১৪% হারে রাজস্ব আয় বাড়বে৷ কিন্তু তা না হওয়ায় প্রতিশ্রুতি মতো এবার কেন্দ্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে। দেখা গিয়েছে উত্তর-পূর্বের পাঁচ রাজ্যে বাদে বাকি সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকেই এই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে কেন্দ্রকে৷ এমনিতেই কেন্দ্রের রাজকোষের বেহাল দশা তার উপর এই ক্ষতিপূরণ যোগাতে গিয়ে জটিলতা বাড়ছে ৷ তহবিলে টান এমন অবস্থায় যে ফেব্রুয়ারিতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মতো টাকা থাকবে কি না তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে ৷

জিএসটি চালুর সময়ে ধরা হয়েছিল, দামি গাড়ি, বিলাসবহুল পণ্য, তামাক ও নরম পানীয়ের মতো ক্ষতিকারক সামগ্রী উপর সেস বসানো হবে যাতে সেই অর্থ থেকে একটা তহবিল তৈরি করা যায়৷ এ দিকে বাস্তবে গাড়ি শিল্পের সংকটে উল্টে জিএসটি কমানোর দাবি তোলা হয়েছে। ফলে জিএসটি কর্তারা রীতিমতো ফাঁপরে পড়েছেন এখন৷ গাড়িতে জিএসটি কমিয়ে ১৮% করলে প্রাথমিক হিসেবে ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকা।

ফের জিএসটি পরিষদ ২০ সেপ্টেম্বর গোয়ায় বৈঠকে বসছে। শিল্পমহল দাবি তুলেছে ,গাড়ি শিল্পকে বাঁচাতে জিএসটি কমানোর ৷ যাতে রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বিষয়টি ভেবে দেখা হবে বলে জানিয়েছিলেন ৷ এদিকে অধিকাংশ রাজ্যের অর্থমন্ত্রীই চাইছেন এই পরিস্থিতিতে গাড়িতে কর কমাতে। কিন্তু সে পথে হাঁটতে গেলে পরিস্থিতি জটিল হওয়ার সম্ভাবনা ৷