নয়াদিল্লি: এ যেন অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত। দেশে জিএসটি চালু হবার পর এতটা পণ্য পরিষেবা কর আদায় কখনও হয়নি, ফলে এই ডিসেম্বর মাসে সর্বকালীন রেকর্ড গড়ল। এমনটাই জানাচ্ছে কেন্দ্র। এই ডিসেম্বর মাসে জিএসটি বাবদ কর আদায় হয়েছে ১.১৫ লক্ষ কোটি টাকা যা গত ডিসেম্বর মাসের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি।

এরমধ্যে সিজিএসটি ২১,৩৬৫ কোটি টাকা এবং এস জি এস টি ২৭,৮০৪ কোটি টাকা। তাছাড়া আইজিএসটি আদায় হয়েছে ৫৭,৪২৬ কোটি টাকা যার মধ্যে পণ্য আমদানি থেকে কর সংগ্রহ হয়েছে ২৭০৫০ কোটি টাকা।সেস আদায় ৮৫৭৯ কোটি টাকা তারমধ্যে পণ্য আমদানি করে এসেছে ৯৭১ কোটি টাকা। আইজিএসটি-র অর্থ কেন্দ্র এবং রাজ্যের জিএসটি তহবিলের ভাগাভাগি পর ডিসেম্বরে জি এস টি তে মোট আয় হয়েছে ৪৫,৪৮৫ কোটি টাকা।

পরিসংখ্যান অনুসারে, গত বছরের তুলনায় পণ্য আমদানি থেকে কর সংগ্রহ বেড়েছে ২৭ শতাংশ এবং দেশের বাজারে পণ্য কেনাবচা থেকে কর আদায় বেড়েছে ৮ শতাংশ। এই তথ্য নিঃসন্দেহে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা মহল।

যেখানে গত মার্চ মাসে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর জিএসটি আদায় একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছিল। তারপর ক্রমশ আনলক পর্ব শুরু হয়েছে । সেপ্টেম্বর মাস থেকে বাজারে পণ্য সামগ্রী চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়তে থাকে আদায়। যা দেখে বিশেষজ্ঞদের একাংশের অভিমত, উৎসবের মরসুমে পর এবার বিয়ের মরসুম ফলে বিভিন্ন জিনিসের চাহিদা হতে পারে। যেমন সোনা গহনা গাড়ি ইত্যাদির। এছাড়া বছর শেষ হয়ে নতুন বছর পরছে সে ক্ষেত্রে ঘুরতে বেরোতে যাওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। এর ফলে পর্যটন ক্ষেত্রে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন বছরের শুরুতে যদি এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা যায় তাহলে অর্থনীতি আরও কিছুটা ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।