ঢাকা: গোটা বাড়িতে তখন বিয়ের আমেজ। বিয়ের সাজে তৈরি বর। আর কিছুক্ষণ পরেই যে তাঁর বিয়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে হাজির হবে কনের বাড়িতে। ঠিক তখনই ঘটল অবিশ্বাস্য ঘটনা। বরযাত্রীরা যখন নতুন বরকে নিয়ে বিয়ে দিতে যাবে বলে বেরোচ্ছে, ঠিক তখনই সে বাড়িতে হাজির এক তরুণী। এক হাতে এক হাতে বিষের (Poison) বোতল অন্য হাতে গলায় দড়ি দেওয়ার সাদা কাপড় নিয়ে বরের মুখোমুখি ওই তরুণী। তারপর শুরু করে অনশন।

কে বলুন তো এই তরুণ? অন্য কেউ নন, নতুন বরের পুরনো প্রেমিকা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের (Bangladesh) ঢাকার (Dhaka) ধামরাইয়ে ঘটে এ ঘটনা। জানা যায়, ওই তরুণী সেখানকার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী। প্রেমিকের নাম দিদার হোসেন। সে আবার কলেজ (college) পড়ুয়া।

ঘটনা ঠিক কী? জানা যা, দিদার হোসেনের সঙ্গে ওই তরুণীর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। তরুণীকে নাকি বিয়ের আশ্বাসও দিয়েছিল দিদার। কিন্তু এর মধ্যে সে অন্য মেয়েকে বিয়ের করার জন্য তৈরি হয়। যার বিন্দুমাত্রও কিছু জানত তরুণী। হঠাৎই সে গোপন মাধ্যমে প্রেমিকের বিয়ের খবর পায়। আর তারপরই সিদ্ধান্ত নেয় অনশনের।

ঠিক করে, এক হাতে বিষ আর অন্য হাতে দড়ি নিয়ে সে হাজির হবে প্রেমিকের বাড়িতে। সেই মতো দিদারের বাড়িতে হাজির হয়ে অনশন শুরু করে প্রেমে প্রত্যাখ্যাত তরুণী। স্লোগান (slogan) দেয় ‌‘দাবি আমার একটাই স্বামী চাই, স্বামী চাই’। ‘হয় বিয়ে হবে নাহলে বিষপানে আত্মহত্যা হবে’। এরপর তরুণী জানান, যতক্ষণ না তার দাবি পূরণ হবে, ততক্ষণ চলবে এই অনশন।

এবিষয়ে তরুণের বাবা আব্দুল খালেক বলেন, আগে তিনি এই কথা জানলে কখনই তিনি অন্য মেয়ের সঙ্গে তার ছেলের বিয়ে ঠিক করতেন না। তাই এই ঘটনার পর দিশেহারা হয়ে পড়েন তিনি।

তবে এই ঘটনার পর সেখানকার ইউপি মেম্বার (member) মো. জয়নাল আলী জানান যে, জটিল এই ঘটনার কিভাবে সমাধান করা যায়, তা তারা দেখছেন। যেভাবে হোক পুরো ব্যাপারটি মিটমাট করারও চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানানো হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.