আমদাবাদ: বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করেন ইরফান পাঠানের কেরিয়ার সময়ের আগেই শেষ হয়ে যাওয়ার পিছনে দায়ি ছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল৷ কিন্তু নিজে তেমনটা মনে করেন না প্রাক্তন ভারতীয় দলের অল-রাউন্ডার৷

পাঠানের মতে গ্রেগ চ্যাপেলকে তার কেরিয়ার নষ্টের জন্য দোষ দেওয়াটা অন্যায়। ২০০৪ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত ভারতীয় দলের প্রধান কোচ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন চ্যাপেল৷ অনেকের মতে, এই সময়টা ছিল ভারতীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে অশান্তির। প্রধান কোচ হিসাবে তাঁর রাজত্বকালে ভারতের হয়ে ওয়ান ডে ব্যাটিং লাইন-আপে তিন নম্বর তুলে আনা হয়েছিল পাঠানকে৷ আর এর ফলেই নাকি তাঁর বোলিং শেষ হয়ে যায়৷

তবে পাঠান সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, তিন নম্বরে তাঁকে ব্যাট করতে পাঠানো চ্যাপেলের সিদ্ধান্ত ছিল না৷ সচিন তেন্ডুলকর তত্কালীন ভারত অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড়কে তাঁর বড় হিট নেওয়ার দক্ষতার কারণে তিন নম্বর স্থানে পাঠানকে ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন৷ যা নতুন বলকে ভালোভাবে মোকাবেলা করতে সুবিধা হবে৷

কিন্তু অনেকে এখনও বিশ্বাস করেন যে, এই সিদ্ধান্ত ছিল চ্যাপেলরই৷ ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে ১৮ ম্যাচে ভারতের হয়ে তিন নম্বরে ব্যাট করেছিলেন পাঠান৷ দুটি অর্ধশতক-সহ ২৮.৬৪ গড়ে ৪৮৭ রান করেছিলেন৷ টপ-অর্ডারে ব্যাট করতে পাঠান যথেষ্ট ধারাবাহিক না-হওয়ায় তা ভারতের পক্ষে কার্যকর হয়নি।

পাঠান তাঁর ইউটিউব চ্যানেল বলেন, ‘আমি আমার অবসর ঘোষণার পরেও এটি বলেছিলাম। যারা মনে করেন গ্রেগ চ্যাপেল আমাকে তিন নম্বরে অল-রাউন্ডার হিসেবে পাঠিয়েছিলেন, তা ঠিক নয়৷ এটি ছিল সচিন পাজির সিদ্ধান্ত। তিনি রাহুল দ্রাবিড়কে বলেছিলেন আমাকে ৩ নম্বরে পাঠানোর জন্য। তিনি বলেছিলেন,‘ ইরফান ছক্কা মারার ক্ষমতা রাখে, নতুন বলে নিতে পারেন এবং দ্রুত বোলারদেরও ভালো খেলতে পারে৷’

পাঠান স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন যে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ চলাকালীন তিনি প্রথমে তিন নম্বরে ব্যাটসম্যান হিসাবে ব্যবহার করেছিলেন যেখানে তাকে প্রথম দিকে দিলহার ফার্নান্দোকে আক্রমণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং বলটি অবাধে হিট করার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। তবে অল-রাউন্ডার এবং দলের পক্ষে জিনিসগুলি ভালোভাবে কাজ করতে পারেনি। পাঠান বলেন যে চ্যাপেলের সমালোচকদের পক্ষে তাঁকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো সহজ, কারণ তিনি ভারতীয় নন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ