কলকাতা: অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই ঢেলে সাজানো হচ্ছে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনকে৷ অ্যাস্ট্রোটার্ফ পুরোপুরি সরিয়ে দিয়ে বসানো শুরু হয়েছে নতুন ঘাস৷ কারণ বিশ্বকাপে সাধারণ সবুজ ঘাসের মাঠেই খেলা হবে এখানে৷ মঙ্গলবার থেকেই সবুজ ঘাস বসানোর কাজ শুরু করেছে কয়েকশো কর্মী৷ আপতদৃষ্টিতে যুবভারতীকে দেখলে ধানের ক্ষেত বলেই মনে হবে৷ শুধু বালি আর বালি৷ যদিও দেশের বৃহত্তম স্টেডিয়ামে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনানো বীজ ও বেঙ্গালুরুতে গজানো ঘাসই বসানো হচ্ছে৷ বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে যে সংস্থা ঘাস বসিয়েছে যুবভারতীতেও তাদেরই কাজে বহাল করা হয়েছে৷ বৃষ্টিতে ঘাস বসানোর কাজে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটলেও অগস্টের মধ্যেই সবুজ ঘাস বসে যাবে বলেই সংস্থার দাবি৷ শুধু যুবভারতীই নয়৷ প্রধান গেটের বাইরের দু’টো প্র্যাকটিস মাসেও এই ঘাস বসানো হবে৷ কলকাতা লিগের প্রথম তিনটে ডার্বিই সেপ্টেম্বরের দশের মধ্যে করতে চাইছে আইএফএ৷ ফলে যুবভারতীর ঘাসের মাঠের উদ্ধোধন ডার্বির হাত ধরেই হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।