নয়াদিল্লি: বছরের প্রথম দিন একটি সংবাদসংস্থাকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাক্ষাতকারের সমালোচনা করেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী৷ বলেছিলেন, প্রশ্ন তো সাজানোই ছিল৷ রাফায়েল, কালো টাকা ইত্যাদি প্রশ্নগুলি তো করাই হয়নি৷ রাহুলকে জবাব দিতে মুখ খোলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি৷ জরুরি অবস্থার কথা মনে করিয়ে জেটলির ট্যুইট, সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমকে আক্রমণ করা তো তাদের ডিএনএ’তে রয়েছে৷

বৃহস্পতিবার ট্যুইটারে অরুণ জেটলি লেখেন, যিনি জরুরি অবস্থার জন্ম দিয়েছিলেন তাঁর নাতি সেই পথেই চলছে৷ সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়া ও তাদের ভয় দেখানো তো রাহুল গান্ধীর ডিএনএ’তে আছে৷ শুধু রাহুলকে আক্রমণ করেই ক্ষান্ত থাকেননি জেটলি৷ তথাকথিত উদারপন্থীদেরও একহাত নেন৷ প্রশ্ন তুলে বলেন, এখন সেই ছদ্মবেশি উদারপন্থীরা চুপ কেন? এডিটরস গিলডের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন নাকি?

এডিটরস গিলড কোনও উচ্চবাচ্য না করলেও ন্যাশনাল ইউনিয়ন অফ জার্নালিস্ট কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর অভিযোগের কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে৷ ট্যুইট করে জানিয়েছে, সাংবাদিক সম্মেলন করে স্মিতা প্রকাশের মতো একজন সাংবাদিককে আক্রমণ করে সস্তার রাজনীতি করতে চেয়েছেন৷ স্মিতা তো শুধু প্রশ্ন করেছেন৷ উত্তর তো দেননি৷ নরেন্দ্র মোদী, অরুণ জেটলি ও বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিক ভাবে লড়াই করুন৷ কিন্তু সাক্ষাতকারটির হাসির খোরাক করবেন না৷

বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন রাহুল৷ জানান, আসল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সাহস নেই মোদীর৷ ওই সাক্ষাতকারে সাংবাদিক শুধু প্রশ্নই নয় উত্তরও দিয়ে দিচ্ছিলেন৷ রাহুলের এই মন্তব্যকে ভালো ভাবে নেয়নি সাংবাদিক মহলের একটা বড় অংশ৷ বিজেপিও রাহুলের ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলে৷