কলকাতা: রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বঙ্গবাসীকে রক্ষা করতে সবরকম পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ভ্যাকসিন পাঠাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আবেদন জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার টুইটে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী।

নির্বাচনের বাংলায় করোনা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার নিয়েছে। হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। পরিস্থিতি নিয়ে ঘোর উদ্বেগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সংক্রমণ মোকাবিলায় রাজ্য সবরকম পদক্ষেপ রছে বলে সোমবার সকালে টুইট করে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘‘গোটা দেশে মারাত্মক আকার নিয়েছে করোনা পরিস্থিতি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারও জনগণকে রক্ষা করতে সবরকম প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, পর্যাপ্ত ওষুধ ও ভ্যাকসিন পাঠিয়ে সাহায্য করতে।’’

রাজ্যের পদস্থ প্রশাসনিক কর্তাদের করোনা মোকাবিলায় সব ধরনের পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবিষয়ে তিনি টুইটে আরও লিখেছেন, ‘‘আমি সব শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকদের রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁদের যথাসাধ্য তৎপরতা নিতে বলেছি। মুখ্যসচিব অন্য শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্যের পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে জানাবেন।’’

করোনার সেকেন্ড ওয়েভ তাণ্ডব চালাচ্ছে দেশজুড়ে। বেসামাল বাংলাও। জেলায়-জেলায় ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। বাংলায় ভোটের মরশুমে বিদ্যুতের গতিতে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজনৈতিক প্রচার, মিছিল, সমাবেশের ক্ষেত্রে নানা বিধি জারি হলেও নিয়মভঙ্গও চলছে দেদার। প্রার্থীরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রার্থীদের সংস্পর্শে আসছেন হাজার হাজার মানুষ। সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে দিনের পর দিন ঊর্দ্ধমুখী হচ্ছে রাজ্যের করোনাগ্রাফ। চিন্তায় ঘুম উড়ছে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।

রবিবার সন্ধেয় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কদিনে নতুন করে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৪১৯ জন। রাজ্যে মোট করোননা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯২৭ জন। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়াচ্ছে কলকাতায়। কলকাতায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ১৯৭ জন। কলকাতা লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিম ২৪ পরগনা জেলাতেও সংক্রমণ বেড়েই চলেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.