নয়াদিল্লি: গো-বিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ‘রেফারেন্স মেটিরিয়াল’ থেকে ১০টি অধ্যায় বাদ দিল মোদী সরকারের কমিশন৷ অভিযোগ, এই অধ্যায়গুলি সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক৷ ৫৪ পাতার এই বিতর্কিত ১২টি অধ্যায়ের মধ্যে রয়েছে গোহত্যা এবং ভূমিকম্প বিষয়ক তথ্য৷

যেখানে জার্সি গরুকে (বিদেশি জাতের) অলস বলে উল্লেখ করা হয়েছে৷ এই প্রজাতির গরুর মধ্যে রোগের প্রবণতা আছে বলেও উল্লেখ রয়েছে৷ এই বিষয়ে বিতর্কের মুখে পড়ে অধ্যায়টি সম্পূর্ণ বাদ দিল রাষ্ট্রীয় কামধেনু আয়োগ৷

প্রসঙ্গত, এর আগে রাষ্ট্রীয় কামধেনু আয়োগের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছিল, গরুর দুধ, গোমূত্র এবং অন্যান্য প্রোডাক্ট ত্বকের চিকিৎসায় খুবই উপযোগী৷ যদিও দু’দিন পর তা ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়৷ সোমবার নতুন সংস্করণ যোগ করে আয়োগ৷ যদিও তা মূল বিষয়ের মাত্র এক তৃতীয়াংশ৷

কামধেনু আয়োগের এক সদস্যের কথায়, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এই অধ্যায়গুলি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ আগামী দিনে আরও বেশি লেখক ও পালবিলার্সকে সঙ্গে নিয়ে এক এক করে অধ্যায়গুলি আপলোড করা হবে৷

এর আগে ত্বকের সমস্যা, এগজিমা, আর্থারাইটিস, জ্বলন থেকে কুষ্ঠ, একাধিক রোগের দাওয়াই দিয়েছিল কাউ কমিশন অফ ইন্ডিয়া৷ তাদের কথায়, পঞ্চগভ্যেই রোধ হবে এই সব রোগ বালাই৷ গরুর দুধ তো বটেই, গোমূত্র বা গোবর সেবন করলেই মুক্তি মিলবে এই সকল রোগের হাতে থেকে৷

গো-সংরক্ষণ, সুরক্ষা ও গো-বিকাশের লক্ষ্যেই ২০১৯ সালে এই কমিশন গঠন করা হয়৷ চিকিৎসা ক্ষেত্রে কামধেনু আয়োগের সর্বশেষ সুপারিশগুলি গোবিজ্ঞান প্রোমোশন এগজামের জন্য ‘রেফারেন্স’ হিসাবে তৈরি করা হয়েছিল৷ আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি দেশ ব্যাপী এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে৷ স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারা তো বটেই, অনলাইনে এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন সাধারণ মানুষও৷ কিন্তু বিতর্কের জেরে বাদ গেল ১০টি চ্যাপ্টার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।