নয়াদিল্লি: ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনা । তারই জেরে দেশের ভিতরে আওয়াজ উঠেছে চিনা পণ্য বয়কট করার। শুধুমাত্র দোকানগুলি বলে নয় ই-কমার্স প্লাটফর্মেও জিনিস কেনার ব্যাপারে তা প্রয়োগ করা হোক বলে দাবি উঠেছে। সে ক্ষেত্রে অনলাইনে জিনিস কেনার ক্ষেত্রে পণ্যটি কোন দেশের সেটা স্পষ্ট উল্লেখ করার কথা বলা হচ্ছিল।

বুধবার আমাজন ফ্লিপকার্ট সহ সংস্থাগুলির সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলে ডিপার্টমেন্ট ফর প্রমোশন অফ ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ইন্টারনাল ট্রেড (ডিপিআইআইটি)। সেখানে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ই-কমার্স সাইটগুলি যেন ১ অগস্ট থেকে নতুন নথিভূক্ত পণ্যগুলি এবং ১ অক্টোবর থেকে পুরনো সব পণ্য কোন দেশের সেটা উল্লেখ করতে হবে। এমন ব্যবস্থা চালু করার জন্য আরও কিছুটা সময় চেয়েছে এইসব ই-কমার্স সাইটগুলি। যদিও বিভিন্ন সংস্থা এই ব্যাপারে তৈরি হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

এর আগে অবশ্য পণ্যগুলি আদৌ কোন দেশের সেই বিষয়ে স্পষ্ট সংজ্ঞা তৈরি করার দাবি তুলেছিল এইসব সংস্থা গুলি। কারণ তাদের যুক্তি, দেখা যায় অনেক পণ্য ভারতে তৈরি হলেও সেই পণ্যের কাঁচামাল আসে বিদেশ থেকে। তেমন ক্ষেত্রে ওই নির্দিষ্ট পণ্যটিকে কোন দেশের তৈরি বলে ধরা হবে। এই বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য উৎপাদন সংস্থা,বিক্রেতা সহ বিভিন্ন পক্ষের মতামত নেওয়া হচ্ছে।

এই বিষয় নিয়ে ডিপিআইআইটি ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গেও আলোচনা করতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত, পণ্যটি কোন দেশের এমন তথ্য উল্লেখ করলে ই-কমার্স সাইটে জিনিস কেনাকাটায় প্রভাব পড়বে। বর্তমানে ক্রেতাদের যেভাবে এই প্লাটফর্ম থেকে জিনিস কেনার প্রবণতা বেড়েছে সেটা কিছুটা ধাক্কা খেতে পারে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ