স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা:  বাড়িতে বসে বই (open book exam) দেখেই মাধ্যমিক  (Madhyamik)- উচ্চমাধ্যমিক (Higher Secondary)  পরীক্ষা (Examination) দিক পড়ুয়ারা৷ বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছে  এমনই পরামর্শ  দিলেন সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

আরও পড়ুন: সংসদে ‘বিবাহিত’ পরিচয়, আইনি জটিলতায় কি পড়তে পারেন নুসরত: কী বললেন আইনজীবী

করোনা পরিস্থিতিতে এবছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশ করেছিল বিশেষজ্ঞ কমিটি।শেষমেশ বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ ও অভিভাবকদের মতামতকেই গুরুত্ব দিল রাজ্য সরকার। করোনাকালে বাতিল এবছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষা বাতিল হলেও মূল্যায়ন কীভাবে করা হবে তা শীঘ্রই জানিয়ে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, মাধ্যমিক না হওয়ার পক্ষে জনমত পড়েছে ৭৯ শতাংশ। উচ্চমাধ্যমিক না হওয়ার পক্ষে জনমত পড়েছে ৮৩ শতাংশ। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে ৩৪ হাজার ইমেল পৌঁছেছে রাজ্য সরকারের কাছে। তবে সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির বক্তব্য,  অল্প নম্বরের জন্য হলেও বাড়ি থেকে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়া দরকার৷

আরও পড়ুন: WhatsApp university-তে চলছে দেদার ডাক্তারি, কতটা বিপদে পড়বেন জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা

ইতিমধ্যেই করোনা পরিস্থিতিতে ওপেন বুক মাধ্যমেই পরীক্ষা নেওয়ার পথে হেঁটেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়।  দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে শেষ বছরের মতোই ফাইনাল সেমিস্টার/ ফাইনাল বর্ষের পরীক্ষা হবে অনলাইন ওপেন বুক সিস্টেমের মাধ্যমে। পরীক্ষা শুরু হয়েছে ৭ ই জুন ২০২১ থেকে। অনলাইন ওপেন বুক পরীক্ষার দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে সেপ্টেম্বর মাস থেকে। ছাত্রছাত্রীরা তাদের পছন্দমত জায়গা থেকে বা সংশ্লিষ্ট কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিতে পারবেন।

আরও পড়ুন: একদিকে WFH -এ কাজের চাপ, অন্যদিকে বাচ্চার দুষ্টুমি, জেনে নিন কী করে সামলাবেন

প্রসঙ্গত, গত শিক্ষাবর্ষে  স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে  বাড়িতে বসে ইমেল মারফত প্রশ্নপত্র পেয়ে বই দেখে উত্তর দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন পরীক্ষার্থীরা। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো স্কুলেও এখন এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার পক্ষে সওয়াল করলেন শিক্ষকরাও। তবে এখনও এব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি রাজ্য সরকার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.