নয়াদিল্লি: চরম আর্থিক সংকটে পড়া টেলিকম শিল্পের দায়ভার কমাতে ক্যাবিনেট সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গড়ল কেন্দ্র ৷ওই কমিটিতে থাকছেন সংশ্লিষ্ট দফতরের সচিবরাও । সূত্রের খবর, স্পেকট্রাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে চার্জ হ্রাস, বকেয়া মেটানোর সময় সীমা পিছোনো, বকেয়ার উপর জরিমানা মকুব ইত্যাদি নানা দাবি খতিয়ে দেখা হবে। অন্য দিকে, নিখরচায় বা স্বল্প মূল্যে এভাবে ডেটা পরিষেবার পথে ইতি টানার ব্যাপারে কোনও নির্দেশিকা দেওয়া যায় কি না সেটাও খতিয়ে দেখছে নিয়ন্ত্রক ট্রাই।

এদিকে এভাবে কমিটি গড়ায় কেন্দ্রে এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে টেলিকম সংস্থাগুলির সংগঠন সিওএআইয়ের ডিজি রাজন ম্যাথুজ়৷ পাশাপাশ তিনি আর্জি জানিয়েছেন ৬০ দিনের মধ্যে ত্রাণ প্রকল্প পেশ করার।
যেহেতু মোবাইলে কথা বলা অথবা ডেটা পরিষেবার জন্য ন্যূনতম মাসুল ধার্য করার কথাও উঠছে সেহেতু পুরনো সংস্থাগুলির আশা করছে, এতে দীর্ঘ মেয়াদে তাদের পক্ষে ব্যবসা করা কিছুটা সহজ হবে। সেক্ষেত্রে ট্রাই নির্দেশিকা জারির করতে পারে বলেই সূত্রের খবর৷

প্রসঙ্গত, মুকেশ অম্বানির রিলায়েন্স জিয়ো আসার পরে টেলিকম সংস্থাগুলির মধ্যে তীব্র মাসুল যুদ্ধ শুরু হয়েছে৷ যার জেরে আয়ে টান পড়ে দিশে হারা অবস্থা পুরনো সংস্থাগুলির। তার উপরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ডটের হিসেব মেনে লাইসেন্স ও স্পেকট্রাম ফি বাবদ এই টেলিকম সংস্থাগুলিকে মোট বকেয়া ৯২ হাজার কোটি টাকা মেটাতে হবে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের কাছে সাহায্য চেয়েছে এই সব সংস্থাগুলি সংস্থাগুলি। যেমন সোমবার টেলিকম মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও টেলি সচিব অংশু প্রকাশের সঙ্গে দেখা করেছিলেন এয়ারটেল কর্ণধার সুনীল মিত্তল।