নয়াদিল্লি: সরকার প্রস্তাব দিয়েছে ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের (এলআইসি) অথোরাইজ ক্যাপিটাল বাড়িয়ে ২৫,০০০ কোটি টাকা করার, যাতে পরের আর্থিক বছরে শেয়ার নথিভূক্ত হতে সুবিধা হয়। বর্তমানে ২৯ কোটি পলিসি থাকা এই বিমা সংস্থাটির পেড আপ ক্যাপিটাল-এর পরিমান ১০০ কোটি টাকা। ১৯৫৬ সালে জন্ম লগ্নে এই সংস্থাটির প্রাথমিক ভাবে মূলধন রাখা ছিল ৫ কোটি টাকা। এলআইসির সম্পদ রয়েছে ৩১,৯৬,২১৪.৮১ কোটি টাকা।

সে ক্ষেত্রে লাইফ ইনসিওরেন্স কর্পোরেশন অ্যাক্ট ১৯৫৬ সংশোধনের ‌‌প্রস্তাবে রয়েছে ২৫,০০০ কোটি টাকার অথোরাইজ শেয়ার ক্যাপিটাল ভাগ করা থাকবে ২৫০০ কোটির শেয়ারে যার প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকার।
প্রস্তাবিত ফিনান্স বিল ২০২১ এর অংশ হিসেবে সংশোধনের প্রস্তাবে রয়েছে যাতে শেয়ার নথিভূক্ত করার জন্য এমন একটি বোর্ড গঠন হবে স্বাধীন ডিরেক্টরদের নিয়ে।

প্রস্তাবিত ২৭টি সংশোধনের অন্যতম একটি অনুসারে সরকারের কাছে এলআইসির অন্তত ৭৫ শতাংশ মালিকানা থাকবে প্রথম আইপিও হওয়ার পর প্রথম পাঁচ বছর, তারপর অন্তত ৫১ শতাংশ মালিকানা থাকবে শেয়ার নথিভুক্তির ৫ বছরের পর সব সময়।পলিসি হোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষা করে সরকারের হাতে থাকবে সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ার এবং সংস্থার ম্যানেজমেন্ট কন্ট্রোল।

গত মাসে অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছিলেন, এলআইসি শেয়ার ইস্যুর ১০ শতাংশ সংরক্ষিত রাখা হবে পলিসি হোল্ডারদের জন্য। তাছাড়া কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবার তার বাজেট ভাষণের সময় জানিয়েছিলেন, এলআইসি শেয়ার ইস্যু হবে পয়লা এপ্রিল থেকে নতুন যে অর্থবর্ষ শুরু হচ্ছে সেই বছরে।

বর্তমানে সরকারের হাতে আছে এলআইসির ১০০ শতাংশ শেয়ার ‌। বাজারে এর শেয়ার ছাড়া হলে এলআইসি হয়ে উঠবে দেশের সর্ববৃহৎ সংস্থা যার মোট শেয়ারের বাজারমূল্য গিয়ে দাঁড়াবে ৮-১০ লক্ষ কোটি টাকা। এবারের বাজেটে বিলগ্নীকরণের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা যা বর্তমান আর্থিক বছরে ধরা ৩২,০০০ কোটি টাকা থেকে অনেক বেশি। সে ক্ষেত্রে এই ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা ধরা হয়েছে আসবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং আর্থিক সংস্থার মালিকানা বিক্রির মাধ্যমে আর ৭৫,০০০ কোটি টাকা আসবে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিক্রির মাধ্যমে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।