নয়াদিল্লি: কেন্দ্র চাইছে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গ্যানাইজেশন (ইপিএফও) এবং এমপ্লয়িজ স্টেট ইনসিওরেন্স কর্পোরেশন (ইএসআইসি) সংগঠন দুটিকে একেবারে কর্পোরেট সংস্থায় পরিণত করতে ৷ সেই উদ্দেশ্যে গত বুধবার একটি খসড়া বিধি জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ওই খসড়া বিধি অনুসারে ইপিএফও এবং ইএসআইসি সংগঠন দু’টির পুনর্গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে ৷ যারফলে ওই দুই সংস্থাতে প্রথমবার মুখ্য কার্যনির্বাহি আধিকারিক (সিইও) নিয়োগ করার কথা বলা হয়েছে।

বর্তমানে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রকের অধীনে থাকা শ্রমিক-কর্মীদের জন্য গঠিত ওই দুই সামাজিক সুরক্ষা সংগঠনে যথাক্রমে অছি এবং পর্ষদ-পরিচালিত স্বাধীন সংস্থার মতো কাজ করে থাকে৷ সংসদের বিশেষ আইন বলে দুটি সংস্থাই তৈরি হয়েছে।কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী হলেন ইপিএফও’র কেন্দ্রীয় অছি পরিষদ ও ইএসআইসি’র পর্ষদের চেয়ারম্যান।

খসড়া বিধি অনুযায়ী,এবার কেন্দ্রীয় সরকার ইপিএফও এবং ইএসআইসি’র চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হবে। অর্থাৎ, শ্রমিক-কর্মীদের জন্য গঠিত ওই দুই সামাজিক সুরক্ষা সংস্থার চেয়ারম্যান (এবং ভাইস-চেয়ারম্যান) এ বার থেকে আর কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী (এবং শ্রমসচিব) থাকবেন না, বাইরে থেকে অন্য কোনও পেশাদার ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হবে।

ওই দুই সংস্থায় প্রথমবার সিইও নিয়োগের প্রস্তাবও রয়েছে এই খসড়া বিধিতে। বর্তমানে, ইপিএফও’র দৈনন্দিন কার্যকলাপ দেখভাল করেন একজন সেন্ট্রাল প্রভিডেন্ট ফান্ড কমিশনার এবং ইএসআইসি’র ক্ষেত্রে একজন ডিরেক্টর জেনেরাল। সেখানে খসড়া বিধিতে বলা হয়েছে, ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পর ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস (আইএএস) বা অন্য কোনও সার্ভিস থেকে কোনও আমলাকে ইপিএফও এবং ইএসআইসি’র সিইও পদে নিয়োগ করা হবে।

কোড অন সোশ্যাল সিকিওরিটি, ২০১৯ নামক এই খসড়া বিধি জারি করে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছ থেকে মতামত চেয়েছে। এই মতামত ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত পাঠানো যাবে।