স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: নোনা জলের মাছ চাষের রোগ প্রতিরোধে উন্নত পরিচালন ব্যবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয় শুক্রবার। রাজ্য সরকারের মৎস্য দফতরের উদ্যোগে ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলা মৎস্য দফতরের সহযোগিতায় কাঁথি-২ দেশপ্রাণ ব্লক এবং কাঁথি-৩ ব্লকের আটটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মাছ চাষিদের নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাগৃহে একদিনের ওই শিবির হয়েছে।

এ দিনের ওই শিবিরে শতাধিক মাছ চাষিরা যোগ দেন। কাঁথি-৩ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি বিকাশ চন্দ্র বেজ বলেন, “পরিবেশ দূষণ রোধ করে নোনা জলে কিভাবে চিংড়ি চাষ করা যায়? মূলত তা নিয়েই এই আলোচনা শিবির। চিংড়ি বা জলজ সম্পদ চাষের ক্ষেত্রে রাসায়নিক এন্টিবায়োটিক একেবারেই প্রয়োগ করা যাবে না।”

আরও পড়ুন : অবাক জলপান! নাক দিয়ে জল খেয়ে তাক লাগান ইনি

তিনি আরও বলেন, “সর্বোপরি পরিবেশ সচেতনতা, সুষম যৌথ ও মাছ চাষের উন্নতি বিধানে মানব সম্পদ বিকাশের জন্য সম্প্রসারণ কর্মীদের এবং মাছ চাষিদের সমবেত প্রচেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি চিংড়ি চাষের উপর সচেতন স্ব-নিয়ন্ত্রণ বিধি প্রণয়ন করা একান্ত প্রয়োজন।”

শিবিরে ছিলেন জেলার মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ আনন্দময় অধিকারী, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সহ-মৎস্য অধিকর্তা (নোনাজল) সুরজিৎ বাগ, কাঁথি-৩ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কৃষ্ণা দাস, ব্লকের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ শরিফা বেগম, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ মিতা রানী সাউ, কৃষি কর্মাধ্যক্ষ অশোক প্রধান, ভূমি কর্মাধ্যক্ষ কণিষ্ক পণ্ডা, জেলা পরিষদ সদস্য চন্দ্রশেখর মণ্ডল, মৎস্য আধিকারিক প্রশান্ত মাইতি, এফ ই ও কমলাকান্ত মাইতি, চঞ্চল প্রধান প্রমুখ।