নয়াদিল্লি: সাত ঘন্টার বৈঠকে মেলেনি কোনও সমাধানসূত্র। বিজ্ঞান ভবনে কৃষক প্রতিনিধিদের জেদের সামনে কার্যত মাথা নোয়াতে হয়েছে কেন্দ্রকে। তবে আলোচনার রাস্তা থেকে সরছে না মোদী সরকার। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কৃষকদের জন্য আলোচনার রাস্তা সবসময় খোলা। পরবর্তী বৈঠক করা হবে শনিবার অর্থাৎ ৫ ডিসেম্বর।

শনিবার দুপুর দুটোর সময় বৈঠক হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। কৃষকদের যাবতীয় দাবি দাওয়া শোনার পর কেন্দ্র জানিয়েছে সবকটি এপিএমসি বা কৃষিজাত পণ্যের বাজার কমিটি ও বেসরকারি মান্ডিগুলিতে করের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে দেখা হবে। এপিএমসিগুলি যাতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় কৃষিপণ্যের বিক্রির ক্ষেত্রে, তার ব্যবস্থা করা হবে।

যারা মান্ডির বাইরে কৃষিজাত পণ্য বিক্রি করতে চাইবেন, তাঁদের প্যান কার্ড প্রয়োজন হবে। এভাবে বিক্রেতাকে রেজিস্টার্ড তালিকায় এনে পণ্য বিক্রি করার সুবিধা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে এই সিদ্ধান্তে এখনও সন্তুষ্ট নন কৃষকরা। কেন্দ্র বৃহস্পতিবার বৈঠকের পর জানায়, গোটা বিষয়টি নিষ্পত্তি এসডিএম বা সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হতে পারে। তবে কৃষকরা জেলা আদালতে এই বিতর্ককে তুলতে চাইছেন।

দুপুর ১২ টায় আলোচনা শুরু হওয়ার পরে, কৃষকরা দশ পৃষ্ঠার একটি খসড়া সরকারের সামনে রাখেন। যেখানে নিজেদের দাবি ও অসুবিধার কথা জানান তাঁরা। উল্লেখ্য বিষয় হল কেন্দ্রের সঙ্গে কোনও সমঝোতার রাস্তায় হাঁটতে কৃষকেরা যে একেবারেই রাজি না, তা প্রকাশ হয়ে গিয়েছে কৃষকদের আচরণে।

বৃহস্পতিবারের সভায় কেন্দ্রের তরফে দুপুরের খাবার দেওয়া হয়েছিল কৃষক প্রতিনিধিদের। সরাসরি সেই খাবার খেতে মানা করে দেন তাঁরা। কেন্দ্রের দেওয়া খাবার ফিরিয়ে নিজেদের সঙ্গে করে নিয়ে আসা খাবার খান তাঁরা। সেই ছবি সম্প্রচারিত হয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে পড়ে সেই ছবি।

নতুন কৃষি আইন কৃষকদের সর্বনাশ করবে। এই আইন বাতিলের দাবিতে সারা ভারত কৃষকসভা সহ ৩২টি কৃষক সংগঠনের যৌথ মঞ্চ সারা ভারত কিষান সংঘর্ষ সমিতি দিল্লি ঘেরাও করে রেখেছে। অন্তত ১২ লক্ষ কৃষক এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।