নয়াদিল্লি: চলতি আর্থিক বছরে অর্থমন্ত্রক চিহ্নিত করেছে তিন-চারটি আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংকে যেগুলিকে শেয়ার বাজারে নথিভুক্তির করা হবে৷ তবে তার আগে এই ধরনের বেশ কয়েকটি ব্যাংকের সংযুক্তিকরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

১৯৭৬ সালের আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংক আইন অনুসারে তৈরি হয়ছিল গ্রামীণ ব্যাংকগুলি। একে একে এমন গ্রামীণ ব্যাংক গঠনের ফলে ২০০৬ সালে গোটা দেশে এই ধরনের ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১৩৩টি। তবে খরচ কমানো, প্রযুক্তি ও পুঁজির ঠিকমতো ব্যবহারের উদ্দেশ্যে এই ব্যাংকগুলির সংযুক্তিকরণ শুরু হয়। তবে বিভিন্ন রাজ্যে কয়েক দফা সংযুক্তিকরণের পরে এখন এই ব্যাংকের সংখ্যাটা হয়েছে ৪৫। খুব শীঘ্রই তা আরও কমিয়ে ৩৮ করতে চায় কেন্দ্র।

আরও পড়ুন: গাড়ি মালিকদের জন্যে খারাপ খবর, অনেকটাই বাড়ছে রেজিস্ট্রেশন চার্জ

বর্তমানে এই ব্যাংকগুলিতে কেন্দ্র ও রাজ্যের পাশাপাশি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে স্পনসর ব্যাংক হিসেবে৷ এদেরা মালিকানা থাকে যথাক্রমে ৫০শতাংশ, ১৫শতাংশ এবং ৩৫শতাংশ। এদিকে ২০১৫ সালে আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংক আইন সংশোধন করা হয়। তারফলে নতুন আইন অনুসারে, এখন অন্যান্য জায়গা থেকেও মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে এই ব্যাংকগুলি। তবে কেন্দ্র ও স্পনসর ব্যাংকের মিলিত অংশীদারিতে ৫১ শতাংশের কম করা যাবে না৷

এ ক্ষেত্রে সেই সংশোধিত আইন অনুসারে বাজারে শক্তিশালী কয়েকটি ব্যাংকের আইপিও করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। পাশাপাশি অবশ্য একই রাজ্যের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির কাছ থেকে সম্মতি নিয়ে আরও কয়েকটি গ্রামীণ ব্যাংকে মিশিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।