নয়াদিল্লি: আজ থেকেই দিল্লিতে খুলে গেল সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল। গত বছরের মার্চ মাসের পর এই প্রথম দিল্লিতে স্কুল খুলল। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে চালু দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস।

পড়ুয়ারা অভিভাবকদের লিখিত সম্মতিপত্র নিয়ে এলে তবেই স্কুলে ক্লাস করতে পারবে। অভিভাবকদের লিখিত সম্মতিপত্র ছাড়া ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস করতে দেওয়া হচ্ছে না। একটানা কয়েকমাস পর অবশেষে স্কুল খোলায় খুশি পড়ুয়ারা।

দেশজুড়ে এখনও চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। সোমবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১০,৫৭২,৬৭২। দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫২,৪৫৬। রাজধানী দিল্লিতেও করোনার সংক্রমণ রয়েছে।

সোমবার সকাল পর্যন্ত দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লক্ষ ৩২ হাজার ১৮৩। দিল্লিতে এখনও পর্যন্ত করোনায় ১০ হাজার ৭৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই আবহেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে করোনার টিকাকরণ প্রক্রিয়া। দিল্লিতেও শুরু ভ্যাকসিনেশন। তবে এবার রাজধানীতে খুলে দেওয়া হল সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল। তবে আপাতত দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হয়েছে।

একটানা কয়েকমাস পর প্রথম দিনে স্কুলে গিয়ে বেশ খুশি পড়ুয়ারা। খুশি তাঁদের অভিভাবকরাও। করোনার সংক্রমণ রুখতে স্কুলে সব ধরনের সতর্কতামূল পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আপাতত স্কুলে জমায়েত, শারীরিক ক্রিয়াকলাপে অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্লাস এবং অনুশীলনের জন্যই দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস চালু হল। একইসঙ্গে কোনও পড়ুয়া বা শিক্ষক-শিক্ষিকা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে করোনার কোনও একটি লক্ষ্ণণ থাকলে তাকে স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। স্কুলগুলির গেটে থার্মাল স্ক্যানার রয়েছে। সেই স্ক্যানার পেরিয়েই স্কুলে ঢুকতে হচ্ছে প্রত্যেককে।

করোনা রুখতে এই কড়াকড়িকে এদিন স্বাগত জানিয়েছে পড়ুয়ারা। অভিভাবকরাও দীর্ঘদিন পর ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠিয়েছেন। সরকারি পরামর্শ মেনে পড়ুয়াদের মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে উৎসাহ দিচ্ছে স্কুল কর্তৃপক্ষও। স্কুল ক্যাম্পাসের একাধিক জায়গায় রাখা হয়েছে স্যানিটাইজার। তবে দিল্লিতে কন্টেনমেন্ট জোনে থাকা কোনও স্কুলই খোলা হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।